আগস্ট ২২, ২০১৭ ৫:৪৮ পূর্বাহ্ণ
Home / slide / রাজশাহীতে মাদকাসক্তদের চিকিৎসায় ওএসটি চালুর দাবি
রাজশাহীতে মাদকাসক্তদের চিকিৎসায় ওএসটি চালুর দাবি

রাজশাহীতে মাদকাসক্তদের চিকিৎসায় ওএসটি চালুর দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে ওএসটি চালুর দাবি জানিয়েছেন মাদক প্রতিরোধ ও নিরাময়ে দায়িত্বরত বেসরকারী সংস্থাগুলো। মঙ্গলবার রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত অ্যাডভোকেসী কর্মশালায় এ দাবি জানানো হয়।

সুইয়ের মাধ্যমে মাদকসেবীদের জন্য গৃহিত কার্যক্রম বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও মাদকসক্তদের চিকিৎসার প্রতিবন্ধকতা দূর করতে ওই কর্মশালা আয়োজন করে আসক্ত পূনর্বাসন সংস্থা (আপস)। এ আয়োজনে সহায়তা দেয় কেয়ার বাংলাদেশ কনসোর্টিয়াম।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের আওতাধীন জাতীয় এইডস/এসটিডি প্রোগ্রামের তত্ত্বাবধানে এবং সেভ দ্য চিলড্রেনের সহায়তায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে আপস। এতে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে গ্লোবাল ফান্ড।

রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক স্বাস্থ্য এর কার্যালয় আয়োজিত ওই কর্মশালায় সভাপতিত্বে করেন রাজশাহী  স্বাস্থ্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. আবদুস সোবহান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক মজিবুর রহমান পাটওয়ারী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাজশাহী বক্ষব্যাধি হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট ডা. আমির হোসেন, রাজশাহী থেকে প্রকাশিত দৈনিক সোনারদেশ প্রত্রিকার সম্পাদক আকবারূল হাসান মিল্লাত, আপসের চেয়ারম্যান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।

এতে বক্তব্য রাখেন, আপসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আবুল বাশার পল্টু, । কর্মশালায় মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, কেয়ার বাংলাদেশ এর প্রতিনিধি তাজুল ইসলাম। এতে সরকারী, বেসরকারী কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি অংশ নেন।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, মাদক ব্যবহারকারীদের জন্য মেথাডনের মাধ্যমে অপিওয়েড সাবস্টিটিউশন ট্রিটমেন্ট (ওএসটি) বা মেথাডন মেইনটেনেন্স ট্রিটমেন্ট সেবা শুরু হয়েছে দেশে।  তবে তা রয়েছে সীমিত পর্যায়ে। এছাড়া রাজশাহীতে এ কার্যক্রম নেই। যদিও সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় রাজশাহী অঞ্চলে মাদক ছড়িয়েছে ব্যাপক। মাদক নিরাময়ে দ্রুত রাজশাহীতে ওএসটি চালুর দাবি জানান বক্তারা।

বক্তারা আরো বলেন, মাদকের সাথে এইচআইভি/এইডস এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। রাজশাহীতে এইচআইভি পজিটিভ রোগী না থাকলেও নানান কারণে ঝুঁকি রয়েছে। ভাসমান ও নি¤্ন আয়ের হওয়ায় সুইয়ের মাধ্যমে মাদকসেবীরা রয়েছেন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। এদের কেবল ৫২ শতাংশ এসেছেন আপসের সেবার আওতায়। বাকি ৪৮ শতাংশ সেবার আওতায় নিয়ে আসা এবং সামাজিক সচেতনতা পারে এই ঝুঁকি হ্রাস করতে।

এসময় এইচআইভি/এইডস সংক্রান্ত জেলা কমিটিকে আরো বেশি সক্রিয় হবার আহবান জানান বক্তারা। একই সঙ্গে মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও পুর্নবাসনে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

না ফেরার দেশে নায়করাজ রাজ্জাক

সাহেব-বাজার ডেস্ক : না ফেরার দেশে বাংলাদেশের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। আজ সোমবার (২১ আগস্ট) …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *