Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • মোহনপুরে দুই সহদোরের শয়নকক্ষে মিললো গোখরার ৫৬ বাচ্চা– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীর ২০০ শিক্ষার্থী পেল জেলা পরিষদের বৃত্তি– বিস্তারিত....
  • নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপোস নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে তিনদিন ব্যাপি ফলদ ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন– বিস্তারিত....
  • মানবপাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় থাই জেনারেলের কারাদণ্ড– বিস্তারিত....

ব্লগার অভিজিৎ হত্যা মামলার প্রতিবেদন ১৯ জানুয়ারি

ডিসেম্বর ১৯, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : বিজ্ঞান মনস্ক লেখক ও মুক্তমনা ব্লগের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ রায় হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন আদালত।

সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) মামলাটিতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্ত এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের পরিদর্শক ফজলুর রহমান প্রতিবেদন দাখিল করতে না পারায় ঢাকার মহানগর হাকিম জাকির হোসেন টিপু নতুন করে দিন ধার্য করেন।

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষে বই প্রকাশ ও প্রকাশনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সস্ত্রীক দেশে আসেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ব্লগার অভিজিৎ রায়। ওই দিন রাতে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় টিএসসির সামনে অভিজিৎ ও তার স্ত্রী রাফিদা আহমেদ বন্যার ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান অভিজিৎ। গুরুতর আহত হন বন্যা।

ওই ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন অভিজিৎ এর বাবা অধ্যাপক ড. অজয় রায়।

প্রসঙ্গত, অভিজিৎ রায়ের পিতা একুশে পুরস্কার বিজয়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. অজয় রায়। অভিজিৎ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যন্ত্র কৌশলে স্নাতক ডিগ্রী প্রাপ্ত এবং উচ্চ শিক্ষার জন্য বাংলাদেশ ছাড়ার আগে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক হিসেবে কাজ করেছিলেন। তিনি সিঙ্গাপুরের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর এবং ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করেন। ২০০০ খ্রিস্টাব্দে তিনি সেখান থেকে আটলান্টা, জর্জিয়ায় যান এবং বাংলাদেশে ফিরে আসা না পর্যন্ত সেখানে একজন প্রকৌশলী হিসাবে কাজ করতেন।

তিনি ২০০১ সালের দিকে সমমনা কয়েকজন লেখকদের নিয়ে মুক্তমনা নামক একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেন। তিনি এই সাইটের আটজন নিয়ন্ত্রককের একজন ছিলেন। এই ওয়েবসাইটটি দ্য ববস সেরা অনলাইন পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়। ২০০৭ সালে মুক্তবুদ্ধি, নাস্তিকতা, বিজ্ঞানমনস্কতার প্রসার আর মানবাধিকার ও সমকামীদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখার প্রেক্ষিতে মুক্তমনা ওয়েবসাইট শহীদ জননী জাহানারা ইমাম স্মৃতি পদক অর্জন করে। এই ওয়েবসাইটে হুমায়ুন আজাদের মৃত্যুর ঠিক পূর্বে তাঁকে পাঠানো হত্যার হুমকিগুলি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞান, নাস্তিকতাবাদ, বাস্তববাদ, সন্দেহবাদ ও যৌক্তিকতার ওপর ভিত্তি করে রচিত অবিশ্বাসের দর্শন এবং বিশ্বাসের ভাইরাস নামক তাঁর দুটি বাংলা বই পাঠক মহলে বহুমুখী সমালোচনা ও জনপ্রিয়তা লাভ করে।

ড. অভিজিৎ রায়ের প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী’ (২০০৫) মহাবিশ্বে প্রাণ ও বুদ্ধিমত্তার খোঁজে (২০০৭) স্বতন্ত্র ভাবনা : মুক্তচিন্তা ও বুদ্ধির মুক্তি (২০০৮) সমকামিতা: বৈজ্ঞানিক এবং সমাজ-মনস্তাত্ত্বিক অনুসন্ধান (২০১০) অবিশ্বাসের দর্শন (২০১১) বিশ্বাস ও বিজ্ঞান (২০১২) ভালবাসা কারে কয় (২০১২) শূন্য থেকে মহাবিশ্ব (২০১৪) বিশ্বাসের ভাইরাস (২০১৪) ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো: এক রবি-বিদেশিনীর খোঁজে (২০১৫)।