Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • মোহনপুরে দুই সহদোরের শয়নকক্ষে মিললো গোখরার ৫৬ বাচ্চা– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীর ২০০ শিক্ষার্থী পেল জেলা পরিষদের বৃত্তি– বিস্তারিত....
  • নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপোস নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে তিনদিন ব্যাপি ফলদ ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন– বিস্তারিত....
  • মানবপাচারের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় থাই জেনারেলের কারাদণ্ড– বিস্তারিত....

নির্বাচিত হলে জেলা পরিষদে ‘পার্সেন্টেজ’ দিতে হবে না

ডিসেম্বর ১৯, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকার বলেছেন, তিনি নির্বাচিত হলে জেলা পরিষদ থেকে কাজ নিতে কাউকে কোনো ‘পার্সেন্টেজ’ দিতে হবে না। জেলা পরিষদের প্রতিটি কাজে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনা হবে।

সোমবার রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে এমন অঙ্গীকার করেন তিনি। মোহাম্মদ আলী সরকার বলেন, ‘ভোট চাইতে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে যাচ্ছি। শুনতে পাচ্ছি, জেলা পরিষদ থেকে কোনো প্রকল্প নিতে গেলে জনপ্রতিনিধিদেরই ‘৩০ পার্সেন্ট’ দিতে হয়েছে। অনেকে আগাম টাকা দিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত টাকাও পাননি, কাজও পাননি। আমি নির্বাচিত হলে জেলা পরিষদে কোনো ‘পার্সেন্টিজ’ দিতে হবে না।’

তিনি বলেন, ‘জেলা পরিষদ স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত। তাই প্রতিটি কাজ করা হবে তাদের মতামতের ভিত্তিতে। সাধারণ ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে যেসব সদস্য নির্বাচিত হবেন, তাদের মাধ্যমেই সব বরাদ্দের সুষ্ঠু বন্টন করা হবে। স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।’

এ সময় গোদাগাড়ীর বাসুদেবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্যানেল চেয়ারম্যান আনসার আলী প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকারকে বলেন, ‘আমি দুই লাখ টাকার একটা কাজ নিয়েছিলাম জেলা পরিষদ থেকে। প্রতি লাখের জন্য আগাম দিতে হয়েছে ৩০ হাজার করে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কাজটিই পাইনি, টাকা ফেরত তো দূরের কথা। টাকা ফেরত পাওয়ার কোনো সম্ভাবনাও দেখছি না।’

সোমবার দুপুরে বাসুদেবপুর ইউপির জনপ্রতিনিধিদের কাছে নিজের আনারস প্রতীকে ভোট চাইতে গেলে ওই প্যানেল চেয়ারম্যান তাকে এ কথা বলেন। এর আগে সকালে মোহাম্মদ আলী সরকার উপজেলার দেওপাড়া ইউপিতে গিয়ে সেখানকার চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান আখতারসহ সকল সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এরপর তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মাটিকাটা ইউপিতে যান। সেখানেও তিনি ইউপি চেয়ারম্যান আলী আযম তৌহিদসহ সদস্য ও নারী সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করে নিজের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন। এ ছাড়া এ দিন তিনি গোদাগাড়ী সদর, মোহনপুর ও গোগ্রাম ইউপিতে গিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। ভোটাররাও এ সময় তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা মোহাম্মদ আলী সরকার রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি ছিলেন। চার মেয়াদে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’র পরিচালক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে এবার তিনি সাবেক প্রশাসক মাহবুব জামান ভুলুর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আগামী ২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ। ১৫টি ভোটকেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনসহ জেলার সবগুলো পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা এই নির্বাচনের ভোটার। মোট ভোটার সংখ্যা এক হাজার ১৭১ জন।