Ad Space

তাৎক্ষণিক

মোহাম্মদ আলীর পোস্টার পুকুরে, ভুলুর দেয়ালে

ডিসেম্বর ১৫, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকারের পোস্টার ছিড়ে পুকুরে ফেলে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। জেলার মোহনপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে টাঙানো বেশকিছু পোস্টার বুধবার দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা ছিড়ে পাশের একটি পুকুরে ফেলে দিয়েছে।

এদিকে নির্বাচনের অপর প্রার্থী মাহবুব জামান ভুলুর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তার প্রচারকর্মীরা জেলার বিভিন্ন এলাকায় দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার লাগাচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মোহনপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে অন্যান্য প্রার্থীর পোস্টারের সাথে মোহাম্মদ আলী সরকারের আনারস প্রতীকের পোস্টারও ঝোলানো ছিল। বুধবার দিবাগত রাতে দুর্বৃত্তরা শুধু মোহাম্মদ আলী সরকারের আনারস প্রতীকের পোস্টারগুলো ছিড়ে উপজেলা পরিষদের পুকুরে ফেলে দেয়।
unnamed

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা পর্যন্ত উপজেলা চত্বরে পোস্টারগুলো ছিল। সকালে সেসব পোস্টার পুকুরের পানিতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। পোস্টার ছিঁড়ে ফেলায় ভোটার ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

মোহনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম মাসুদ পারভেজ জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। তবে এ ঘটনায় লিখিত কোনো অভিযোগ তিনি পাননি। অভিযোগ পেলে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।

এদিকে মোহাম্মদ আলী সরকারের পোস্টার পুকুরে পড়ে থাকতে দেখা গেলেও জেলার বিভিন্ন স্থানে অপর প্রার্থী মাহবুব জামান ভুলুর তালগাছ প্রতীকের পোস্টার আচরণবিধি ভেঙ্গে দেয়ালে দেয়ালে লাগানো দেখা গেছে। রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলা সদরেই বেশকিছু বাড়ির দেয়ালে ভুলুর পোস্টার দেখা গেছে। এছাড়া পবা উপজেলার পারিলা ইউনিয়ন পরিষদের ভবনের দেয়ালেও তালগাছের পোস্টার লাগানো দেখা গেছে। ভুলুর এমন আচরণবিধি লঙ্ঘনে ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদ নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার সৈয়দ আমিরুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী কোনো প্রার্থীর দেয়ালে পোস্টার লাগাতে পারবেন না। ভুলুর আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি তিনি জানেন না। তবে এমন ঘটনা ঘটলে যে কেউ রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করতে পারেন। তখন তারা এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন।

আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে কথা বলতে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে প্রার্থী মাহবুব জামান ভুলুর ব্যক্তিগত মুঠোফোনে ফোন করা হয়। তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মনা রায় ফোন ধরে জানান, ভুলু এখন ব্যস্ত আছেন। তাই কথা বলবেন না।