Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ভোটের ‘ধর্মীয় সেন্টিমেন্টে’ ভাস্কর্য সরানোর ‘পক্ষে’ আ’লীগ-বিএনপি– বিস্তারিত....
  • আমরা আজ হেরে গেলাম : ভাস্কর মৃণাল হক– বিস্তারিত....
  • নতুনদের জন্য ভিডিও এডিটিং কোর্স নিয়ে এলো বিআইটিএম– বিস্তারিত....
  • সৌদিতে রোজা শুরু শনিবার, বাংলাদেশে রবিবার– বিস্তারিত....
  • পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে ইংল্যান্ডে বাংলাদেশ দল– বিস্তারিত....

পবায় প্রচারণা মোহাম্মদ আলী সরকারের

ডিসেম্বর ১৫, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর পবা উপজেলায় ঘাম ঝরানো নির্বাচনী প্রচারণা চালালেন জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোহাম্মদ আলী সরকার। বৃহস্পতিবার সারাদিন কর্মী-সমর্থকদের সাথে নিয়ে তিনি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ভোটারদের কাছে নিজের আনারস প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।

এ দিন সকালেই তিনি উপজেলার হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) যান। এ সময় তিনি ইউপি চেয়ারম্যান বজলে রেজবি আল হাসান মুঞ্জিলসহ তার পরিষদের সকল সদস্যর সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান বলেন, ‘আমি গত দুই পরিষদেই সদস্য হিসেবে আছি। জেলা পরিষদ থেকে কমিউনিটি ক্লিনিকের দুই লাখ টাকার একটা কাজ পাস করিয়ে আনতে আমাকে ৭০ হাজার টাকা দিতে হয়েছে। আমরা এই অবস্থা দেখতে চাই না। আমরা এর পরির্তন দেখতে চাই।’ মোহাম্মদ আলী সরকার এ সময় প্রতিশ্রুতি দেন, তিনি নির্বাচিত হলে জেলা পরিষদে কোনো অনিয়ম থাকবে না।

এরপর মোহাম্মদ আলী সরকার হড়গ্রাম ইউপিতে গিয়ে সেখানকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘জেলা পরিষদ আমাদের (চেয়ারম্যান-মেম্বারদের) প্রতিষ্ঠান। অথচ আমাদের প্রায় সবাই জেলা পরিষদই চেনেন না। এতোদিন সেখানে যাওয়ার কোনো পথ ছিল না। মোহাম্মদ আলী সরকার নির্বাচিত হলে সেখানে যাওয়ার একটি পথ তৈরি হবে।’

সেখানে বৈঠক শেষে মোহাম্মদ আলী সরকার দামকুড়া ইউপিতে গিয়ে সেখানকার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাত করে নিজের আনারস প্রতীকে ভোট চান। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুস সালাম বলেন, ‘জেলা পরিষদে অনেক বৈষম্য হয়েছে। এখন সুযোগ এসেছে বৈষম্য দূর করার। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে মোহাম্মদ আলী সরকারকে জয়ী করতে হবে।’

দুপুরে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে মোহাম্মদ আলী সরকার হুজরিপাড়া ইউপিতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান আখতার ফারুকসহ তার পরিষদের সকল সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। এরপর তিনি বড়গাছি ইউপিতে যান। সেখানেও তিনি চেয়ারম্যান সোহেল রানাসহ তার পরিষদের সকল সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এরপর সন্ধ্যায় মোহাম্মদ আলী সরকার উপজেলার পরিলা ইউপিতে যান। সেখানে তিনি চেয়ারম্যান সাইফুল বারী ভুলুসহ ওই ইউপির সকল সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাত করেন। চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম ভুলুসহ তার পরিষদের সদস্যরা এ সময় আনারস প্রতীকে ভোট দিয়ে মোহাম্মদ আলী সরকারকে জয়যুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মোহাম্মদ আলী সরকার রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা। বিশিষ্ট এই শিল্পপতি রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি। এছাড়াও তিনি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’র পরিচালক ছিলেন। রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে এবার তিনি সাবেক প্রশাসক মাহবুব জামান ভুলুর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

আগামী ২৮ ডিসেম্বর ১৫টি ভোটকেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। রাজশাহী সিটি করপোরেশনসহ জেলার সবগুলো পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা এই নির্বাচনের ভোটার। মোট ভোটার সংখ্যা এক হাজার ১৭১ জন।