Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • প্রশাসনিক দায়িত্ব হারাচ্ছেন বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান– বিস্তারিত....
  • দায়িত্ব অবহেলায় বরিশাল ও বরগুনার ডিসি প্রত্যাহার– বিস্তারিত....
  • নাটোরে অস্ত্রসহ দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ– বিস্তারিত....
  • তারেক রহমানকে ফিরিয়ে আনার ক্ষমতা সরকারের নেই : নজরুল ইসলাম খান– বিস্তারিত....
  • উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক বিতরণ করল জেলা পরিষদ– বিস্তারিত....

শীতে কাঁপছে বাঘার নদী তীরবর্তী মানুষ!

ডিসেম্বর ১৪, ২০১৬

নুরুজ্জামান, বাঘা : পোষকে শীতের রাজা বলা হলেও এবার অগ্রহয়নেই থর-থর করে কাপতে শুরু করেছে নদী তীরবর্তী ও সীমান্তঘেষা বাঘা উপজেলার মানুষ। গত তিন দিন ধরে সকালের ঘন কুয়াশা আর সূর্যের লুকোচুরি খেলায় এ আঞ্চলে বেড়ে গেছে শীতের প্রকপ। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে প ড়েছে হতদরিদ্র পরিবার এবং খেটে খাওয়া মানুষ।

আবহাওয়া আফিসের তথ্য মতে, এ বছর শীতকাল শুরু হওয়ার পর চলতি সপ্তাহে পর-পর তিন-চার দিন ধরে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার কারণে বেড়ে গেছে শীতের প্রকপ। এর ফলে সব চেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে এ অঞ্চলের খেটে খাওয়া দিন মজুর মানুষ। বিশেষ করে উত্তরের হিমেল হাওয়া এবং সূর্যের দেখা না পাওয়ায় মানুষ রাস্তায় বের খুবই বারেই কম। ফলে সকালে যেমন মানুষ বাড়ি থেকে বের হচ্ছে দেরি করে, তেমনি সন্ধা ঘনিয়ে আসার আগেই সবাই ঘরমুখী হওয়ার কারণে উপজেলার প্রধান প্রধান রাস্তা ও মার্কেট গুলো ফাঁকা হয়ে পড়ছে।

লোকজন বলছেন, প্রচন্ড শীতে এই উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও ২টি পৌর সভা-সহ সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছে চরাঞ্চলের মানুষ। তারা শীতে থর-থর করে কাঁপছে। এর ফলে পুরো উপজেলা ব্যাপী দৈনন্দিন ও স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। শীতে সবচেয়ে কষ্ট পোহাতে হচ্ছে- এ অঞ্চলের অতিদরিদ্র, অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষদের। এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা সদরে অবস্থিত শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে বেড়েছে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড। নি¤্ন আয়ের মানুষদের পাশা-পাশি মধ্য বিত্তরাও ছুটছেন উপজেলার মাজার গেট তথা ঐতিহাসিক তেঁতুল তলায় অবস্থিত ফুটপাতে শীতবস্ত্রের দোকান গুলোতে। আর উচ্চ বিত্তরা ছুটছেন বড়-বড় সপিং কমপ্লেক্্র-সহ শহরের বস্ত্র বিতান গুলোতে। শীত বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শীতবস্ত্রের দামও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।

উপজেলার আমোদপুর গ্রামের বাবুল ইসলাম ও কিশোরপুরের আনোয়ার জানান, অন্য যে কোন সময়ের চেয়ে এই মুহুর্তে শীতের তীব্রতা বেশি । এর কারণ হিসাবে তারা আকষ্মিক ভাবে পর-পর দুই দিনের ঘন কুয়াশা ও সূর্যের দেখা না পাওয়াকে বিশেষ ভাবে দায়ি করেছেন। তারা বলেন, শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় এখনই সকাল-সন্ধ্যা বাড়ি-বাড়ি আগুনের কুপ-জ্বালিয়ে হতদরিদ্র মানুষেরা শীত নিবারণের ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আবার কেউবা ছেড়া কাঁথা মুড়িয়ে প্রচন্ড-শীতে থর-থর করে কাঁপছে।

এদিকে আকষ্মিক এই শীতের কারণে বৌর ধানের চারার কিছুটা ক্ষতি হওয়া সহ-উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসে রুগির সংখ্যা আগের চেয়ে কিছুটা বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা। তবে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াসমিন দাবি করেছেন, আবহাওয়ার এই বিরুপ প্রভাব থাববে না । যে টুকু পরিবর্তন ঘটেছে তাতে এখন পর্যন্ত কোন ফসলেরই ক্ষতি হয়নি।