Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রাসিকের অস্বাভাবিক হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি তদন্তের নির্দেশ মন্ত্রণালয়ের– বিস্তারিত....
  • দুর্গাপুরে পুকুর খননের অভিযোগে চারজন আটক– বিস্তারিত....
  • জয়পুর মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান– বিস্তারিত....
  • ছাত্রলীগ নেতাকে হাতুড়ি দিয়ে পেটালো আ’লীগের নেতারা– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ– বিস্তারিত....

‘রাষ্ট্রপতির উপর কথা বলার ক্ষমতা আমার নাই’

ডিসেম্বর ১২, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরি বিধির গেজেট প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণের বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, “মহামান্য রাষ্ট্রপতির উপর কথা বলার ক্ষমতা আমার নাই।” সোমবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী।

মাসদার হোসেন মামলার রায় অনুযায়ী বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি, ছুটি মঞ্জুরি, নিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলা বিধান এবং চাকরির অন্যান্য শর্তাবলী) বিধিমালা করার কথা।

বিধিমালার গেজেট প্রকাশে বেশ কয়েকবার সময় নিয়েছে সরকার। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (১ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৮ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ গেজেট প্রকাশ করতে এক সপ্তাহ সময় দেন। তবে এই সময়েও গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় তলব করা হয় দুই সচিবকে।

বিচারকদের চাকরি বিধির খসড়া গেজেটে প্রকাশ করার প্রয়োজনীয়তা নেই বলে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। রবিবার (১১ ডিসেম্বর) আইন ও বিচার বিভাগ থেকে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তা জানিয়েও দেওয়া হয়।

সোমবার (১২ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ রাষ্ট্রপতির এ সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে বলেছেন, ভুল বুঝানো হচ্ছে রাষ্ট্রপতিকে। একই সঙ্গে আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে বিচারকদের চাকরিবিধি প্রণয়নের গেজেট প্রকাশ করার আদেশ দেন আপিল বিভাগ।

এ সব বিষয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “মহামান্য রাষ্ট্রপতি এ অধ্যাদেশের ব্যাপারে তার বক্তব্য জানিয়েছেন এবং সেটা মাননীয় সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছে। মহামান্য রাষ্ট্রপতির ওপর কথা বলার ক্ষমতা আমার নাই।”

হাইকোর্ট চত্বর থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সরাতে চিঠির বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, “আমি জনতার দাবি যেটা, সেটাই করব। আমি এ চিঠি আবারও পুনর্বিবেচনার জন্য পাঠাব, তার কারণ হল জনগণের ইচ্ছা এ ট্রাইব্যুনাল এখানে থাক। এ ট্রাইব্যুনাল শেষ হওয়ার পর এটা একটা জাদুঘর হোক, সেটাই জনগণ চেয়েছে। জনগণের ইচ্ছাকে কি করে রূপ দেওয়া যায় সেই চেষ্টাই আমি করে যাব।”