সেপ্টেম্বর ২৪, ২০১৭ ৭:২৫ পূর্বাহ্ণ

Home / slide / গেজেট প্রকাশ না করায় দুই সচিবকে তলব

গেজেট প্রকাশ না করায় দুই সচিবকে তলব

সাহেব-বাজার ডেস্ক : সময়মত গেজেট প্রকাশ না করায় এবার আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দুই সচিবকে তলব করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে ৮ সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ তাদের তলব করেন।

আগামী ১২ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় তাদের আদালতে হাজির হয়ে এ ব্যাপারে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। দুই সচিবকে হাজির করতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে নির্দেশ দেন আদালত। আদালত বলেন, গেজেট প্রণয়নে বারবার সময় দেওয়া সত্ত্বেও এখনো তা প্রকাশ করা হয়নি। এটা গ্রহণযোগ্য নয়।

সর্বশেষ গত ১ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৮ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ গেজেট প্রকাশ করতে এক সপ্তাহ সময় দেন। তবে এই সময়েও গেজেট প্রণয়ন না হওয়ায় দুই সচিবকে তলব করা হলো। এরা হলেন-আইন ও বিচার বিভাগ সচিব আবু সালেহ শেখ জহিরুল হক এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক।

উল্লেখ্য, মাসদার হোসেন মামলার রায় ঘোষণার আট বছর পর বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করা হয়। ওই সময় যে চারটি বিধিমালা গেজেট আকারে জারি করা হয়েছিল। এর মধ্যে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি, ছুটি মঞ্জুরি, নিয়ন্ত্রণ, শৃঙ্খলা বিধান এবং চাকরির অন্যান্য শর্তাবলী) বিধিমালা, ২০০৭ একটি। যেখানে বলা হয়েছে, পৃথক বিধি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধান করা হবে ১৯৮৫ সালের গভর্নমেন্ট সার্ভিস রুলস অনুযায়ী।

তবে মাসদার হোসেন মামলার রায়ের ৭ নম্বর নির্দেশনা অনুযায়ী সেই জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের জন্য পৃথক শৃঙ্খলাবিধি এখনো তৈরি হয়নি।

১৯৮৯ সালে সরকার বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কিছু পদের বেতন স্কেল বৃদ্ধি করে। এতে অন্য ক্যাডারদের সঙ্গে অসঙ্গতি দেখা দেয়। তৎকালীন সরকার এই অসঙ্গতি দূর করার জন্য ১৯৯৪ সালের ৮ জানুয়ারি জজ আদালতের বেতন স্কেল বাড়িয়ে দেয়। প্রশাসন ক্যাডারের আপত্তির মুখে সরকার ওই বেতন স্কেল স্থগিত করে।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মাসদার হোসেনসহ ৪৪১ জন বিচারক ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে একটি রিট মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে ১৯৯৭ সালে হাইকোর্ট পাঁচ দফা সুপারিশসহ ওই মামলার রায় দেন। এ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলে আপিল বিভাগ ১৯৯৯ সালে ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার ঐতিহাসিক রায়টি দেন।

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

চীন ছেড়ে জাপানী বিনিয়োগের নতুন কেন্দ্রে বাংলাদেশ : স্ট্রেইট টাইমসের প্রতিবেদন

সাহেববাজার ডেস্ক চীনের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে জাপানী কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *