Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় প্রহরীকে মারধর– বিস্তারিত....
  • বামশক্তি কনসোলিটেড হয়ে দাঁড়াতে না পারলে ফিল ইন দ্য ব্লাংক করে ফেলবে ধর্মীয় শক্তি : আবুল বারকাত– বিস্তারিত....
  • মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে হলে ভ্যাটের বিকল্প নেই : ভূমিমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • নাটোরে নির্মাণের ৯ মাসেই ভেঙে পড়েছে কালভার্ট– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ইয়াবাসহ চার যুবক আটক– বিস্তারিত....

গোদাগাড়ীতে ১০ টাকার চালের দেড় হাজার কার্ড বাতিল

নভেম্বর ৩০, ২০১৬

সাইফুল ইসলাম, গোদাগাড়ী : ১০ টাকা কেজির খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে ব্যাপক অনিয়মের কারণে কর্মসূচি চালুর পর রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় এখন পর্যন্ত দেড় হাজার কার্ড বাতিল হয়েছে। এ ছাড়া তিন ডিলারের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা খাদ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে ১৫ হাজার ৪১৯ জন হতদরিদ্রকে ১০ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি চাউল বিতরণ করা হচ্ছে। কিন্তু হতদরিদ্রদের জায়গায় স্বচ্ছ ব্যক্তিদেরকে এ কর্মসূচির কার্ড প্রদানের অভিযোগ ওঠে। তদন্ত করে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ৯টি ইউনিয়নে এক হাজার ৬১৯টি কার্ড বাতিল করে হতদরিদ্রদের মাঝে নতুন করে কার্ড বরাদ্দ করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে সবচেয়ে বেশি কার্ড বাতিল করা হয়েছে গোগ্রাম ইউনিয়নে। এই ইউনিয়নের ৩০১ জন স্বচ্ছল ব্যক্তির কার্ড বাতিল করা হয়। এছাড়া পাকড়ী ইউনিয়নের ২৫০, মাটিকাটা ইউনিয়নে ২৮১, দেওপাড়া ইউনিয়নে ২৭২, চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নে ২২১, বাসুদেবপুর ইউনিয়নে ১৯, মোহনপুর ইউনিয়নে ৩৮ ও গোদাগাড়ী সদর ইউনিয়নে ৩৪টি কার্ড বাতিল করা হয়।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আলাওল কবির বলেন, চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের আবুল কাশেম ও মাইনুদ্দীন নামের ডিলারের বিরুদ্ধে চাউল আত্মসাতের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদেরকে ১০ হাজার করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই দুইজন ডিলারের বিরুদ্ধে কার্ডে দুইবার স্বাক্ষর ও টিপসই নিয়েএকবার চাল দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগে গোগ্রাম ইউনিয়নের মিজানুর রহমান নামে এক ডিলারকে জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি তাকে স্থায়ীভাবে বরখাস্তও করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ নেওয়াজ বলেন, হতদরিদ্রদের মাঝে ১০ টাকা কেজির চাল বিতরণ নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়নে একজন মনিটরিং অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি নিজে এবং খাদ্য কর্মকর্তা বিষয়টি তদারকি করছেন। কোথাও কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে তাৎক্ষণিকভাবে।