Ad Space

তাৎক্ষণিক

ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের বিশ্ব রেকর্ড

নভেম্বর ৩০, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : ওয়ানডে ক্রিকেটে এক ইনিংসে দলীয় রানের নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে ইংল্যান্ড। মঙ্গলবার নটিংহ্যামের ট্রেন্টব্রিজে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫০ ওভারে ৩ উইকেটে ৪৪৪ রান তুলে এই রেকর্ড গড়ে ইংল্যান্ড।

২০০৬ সালের ৪ জুলাই অ্যামস্টিলভিনে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে শ্রীলঙ্কার করা ৯ উইকেটে ৪৪৩ রানের ইনিংসটি এতদিন ওয়ানডে ক্রিকেটে দলীয় সর্বোচ্চ ছিল।

এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রানের দিনে ইংল্যান্ডের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ইনিংসের রেকর্ডও গড়েছেন ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ১২২ বলে ২২ চার ও ৪ ছক্কায় ১৭১ রান করেন তিনি।

এরফলে রবিন স্মিথের ১৬৭ রানের ২৩ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙেন হেলস।

এছাড়া জো রুট ৮৫ এবং জস বাটলার ও ইয়োন মরগান যথাক্রমে অপরাজিত ৯০ ও ৫৭ রান করেন।

৫১ বলে ৭ চার ও সমানসংখ্যক ছক্কায়  অপরাজিত ৯০ রানের ইনিংসের পথে জস বাটলার ২২ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করে গড়েছেন আরেকটি জাতীয় রেকর্ড। ইংল্যান্ডের হয়ে এটাই দ্রুততম ব্যক্তিগত অর্ধশতক।

অন্যদিকে ইয়োন মরগানের ২৭ বলে ৫৭ রানের ইনিংসটি ছিল ৫টি ছক্কা ও ৩টি বাউন্ডারি দ্বারা সাজানো।

ইংল্যান্ডের এমন রেকর্ড রানের দিনে পাকিস্তানও বোলিংয়ে প্রায় আরেকটি বিশ্বরেকর্ড গড়ে ফেলেছিল। তবে সে রেকর্ডটি হতো লজ্জার। এই ম্যাচে পাকিস্তানের পেসার ওয়াহাব রিয়াজ ১০ ওভারে দিয়েছেন ১১০ রান। ২০০৬ সালে জোহানেসবার্গে অস্ট্রেলিয়ার মিক লুইস দিয়েছিলেন ১১৩ রান। ওয়ানডেতে সবচেয়ে খরুচে বোলিংয়ের রেকর্ড হিসেবে সেটিই টিকে রইল।

ট্রেন্টব্রিজে মঙ্গলবার সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ইয়ান মরগান। কিন্তু দলীয় ৩৩ রানের মাথায় জ্যাসন রয়কে হারায় স্বাগতিকরা। হাসান আলীর বলে সরফরাজ আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন রয় (১৫)।

এরপর আলেক্স হেলস ও জো রুট মিলে ২৪৮ রানের জুটি গড়েন। এ যাত্রায় হেলস সেঞ্চুরি তুলে নেন। আর রুট তুলে নেন টানা পঞ্চম হাফসেঞ্চুরি। ২৮১ রানের মাথায় আলেক্স হেলস ১৭১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর রুটের সঙ্গে এসে জুটি বাঁধেন জস বাটলার। তিনি খুনে মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন।

২৮৩ রানের মাথায় জো রুট ৮৬ বলে ৮ চারের সাহায্যে ৮৫ রান করে আউট হন। বাকি ইতিহাস রচনা করেন অধিনায়ক ইয়ান মরগান ও বাটলার মিলে। তারা দুজন অপরাজিত থেকে ১২ ওভারে ১৬১ রান তোলেন। ফলে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৪৪৪ রান।
পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মার খেয়েছেন ওয়াহাব রিয়াজ। ১০ ওভারে ১১০ রান দিয়েও কোনো উইকেট পাননি তিনি।

মোহাম্মদ আমির ১০ ওভারে ৭২ রানে উইকেটশূন্য থাকেন। মোহাম্মদ নওয়াজ ১০ ওভারে ৬২ রান দিয়ে ১টি উইকেট নেন। আর হাসান আলী ১০ ওভারে ৭৪ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট।

আজহার আলী ১ ওভার বল করে দেন ২০ রান। শোয়েব মালিক ৩ ওভারে দিয়েছেন ৪৪ রান। ইয়াসির শাহ ৬ ওভারে দিয়েছেন ৪৮ রান।