Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় প্রহরীকে মারধর– বিস্তারিত....
  • বামশক্তি কনসোলিটেড হয়ে দাঁড়াতে না পারলে ফিল ইন দ্য ব্লাংক করে ফেলবে ধর্মীয় শক্তি : আবুল বারকাত– বিস্তারিত....
  • মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে হলে ভ্যাটের বিকল্প নেই : ভূমিমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • নাটোরে নির্মাণের ৯ মাসেই ভেঙে পড়েছে কালভার্ট– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ইয়াবাসহ চার যুবক আটক– বিস্তারিত....

বাঘায় শতাধিক মদের ভাটি উচ্ছেদ, গ্রেফতার ৩

নভেম্বর ২৯, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঘা : রাজশাহীর বাঘায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি ও মাদক দ্রব্য অধিদফতর। অভিযানে আড়ানী পৌর এলাকার নুরনগর এলাকায় একটি কলাবাগান, বাঁশঝাড় ও পুকুর থেকে প্রায় শতাধিক বাংলা মদের ভাটি উচ্ছেদ করা হয়। একই সাথে গাঁজা বিক্রির দায়ে একজন নারীসহ দুই ব্যক্তিকে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট।

সূত্রে জানা গেছে,  মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২ টার সময় উপজেলার আড়ানী পৌর এলাকার নুরনগর এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের নেতৃত্ব দেন বাঘা উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম। তিনি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকার মেরাজ আলীর বিশাল কলা বাগান এবং পার্শ্বেই অবস্থিত ঝড়– মিয়ার বাঁশঝাড় ও খোদা বক্্েরর পুকুর থেকে প্রায় শতাধিক বাংলা মদের ভাটি উচ্ছেদ ও ভাংচুর করেন। এ সময় প্রশাসনের লোকজন এসেছে শুনে পালিয়ে যান ওই এলাকার কুখ্যাত বাংলা মদ ব্যবসায়ী রাজা মিয়া, মনোয়ারা বেগম , ইদ্রিশ আলী , আলা উদ্দিন ,নঈম,  ভাদু  ও কালামসহ অন্যান্যরা।

এর আগে নির্বাহী কর্মকর্তা আড়ানী রেলস্টেশন বাজারে অবস্থিত নাজিম উদ্দিনের মুদি দোকান  থেকে গাঁজা বিক্রির দায়ে তার স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩৪), বাঘা বাসটার্মিনালের দক্ষিন পার্শ্বে চক ছাতারি গ্রাম থেকে গাঁজাসহ এতিম (৬০) ও  বাঘা পৌরসভার সামনে চা বিক্রেতা  আজিজুল (৫০) কে গাঁজাসহ আটক করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে  ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বাঘা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মাহমুদ, রাজশাহী মাদক দ্রব্য অধিদফতরের ইনস্পেক্টর মোস্তফা জামান , বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) বাঘা সীমান্তের আলাইপুর ক্যাম্প ইনচার্জ সুবেদার সাজাহান আলী, আড়ানী ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ।

আড়ানী পৌর এলাকার বাসিন্দা মুক্তার হোসেন ও আবদুল গফুরসহ অনেকেই জানান, শুধু মাদক বিরোধী অভিযান নয়, মাঝে মধ্যে যদি এমনি ভাবে প্রশাসনের কর্মকর্তারা অভিযান চালান তবেই এগুলো মুক্ত করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে মাদক বিক্রেতারা পালিয়েও  রক্ষা পাবে না বলে তারা মন্তব্য করেন।