Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় প্রহরীকে মারধর– বিস্তারিত....
  • বামশক্তি কনসোলিটেড হয়ে দাঁড়াতে না পারলে ফিল ইন দ্য ব্লাংক করে ফেলবে ধর্মীয় শক্তি : আবুল বারকাত– বিস্তারিত....
  • মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে হলে ভ্যাটের বিকল্প নেই : ভূমিমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • নাটোরে নির্মাণের ৯ মাসেই ভেঙে পড়েছে কালভার্ট– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ইয়াবাসহ চার যুবক আটক– বিস্তারিত....

প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা : বেড়েছে মেধাভিত্তিক প্রতিযোগিতা

নভেম্বর ২৭, ২০১৬

মিজান মাহী, দুর্গাপুর :  দুর্গাপুরে প্রাথমিক সমাপনী পিএসসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা গত রোববার (২০ নভেম্বর) সারাদেশে ন্যায় ৯টি কেন্দ্রে আরম্ভ হয়ে ও গতকাল রোববার (২৭ নভেম্বর) শেষ হয়েছে। বিগত ২০১১ সালে সারাদেশের মধ্যে দুর্গাপুর উপজেলা প্রথম স্থান অধিকার করেছিল। অতীতের সেই সাফল্য ফিরে পাওয়ার প্রত্যয়ে ব্যাপক প্রস্তুতির মধ্যে দিয়ে উপজেলায় এবার মোট ৮৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৯টি এবতেদায়ি মাদরাসাসহ ৯২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৮৩৮ ছাত্রছাত্রী পিএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। এর মধ্যে ১৪ ছাত্রছাত্রী অনুপস্থিত এবং পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে কোন ছাত্রছাত্রী বহিস্কৃত হয়নি। উল্লেখনীয় বিষয় হচ্ছে উক্ত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১৫৩১জনই ছাত্রী। আর ছাত্র সংখ্যা ১৩০৭জন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোফরান হালিম জানান, পরীক্ষা অত্যন্ত সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দুর্গাপুর প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণ করেছেন। প্রাথমিক স্কুল সমাপনী ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা উপলক্ষে দুর্গাপুর উপজেলায় এবার বেশ কিছু উল্লেখ্য যোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিলো। যেমন, ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষা ভীতি দুরীকরণ নিয়মিত পাঠ্যভ্যাস গড়ে তোলা, হাতের লেখা সুন্দর এবং শিক্ষার্থীদের পাঠ্য ভিত্তি মজবুত করার লক্ষে বছরের প্রায় প্রতিমাসেই পাঠদানাংশের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। একে মাসিক মুল্যায়ন পরীক্ষা বলে আখ্যায়িত করা হয়। এছাড়া সর্বশেষ অক্টোবর মাসে মডেল টেষ্ট পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তারুন্নাহার জানান, পিএসসি ও ইবতেদায়ি পরীক্ষা সুন্দর ও সুষ্ঠ রুপে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবার শিক্ষার্থীদের মাসিক মুল্যায়ন পরীক্ষা, মডেল টেষ্ট, নিরাময় পাঠ এ সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিলো। ফলে ছাত্র-ছাত্রীরা নিয়মিত পড়ার টেবিলে ফিরে গেছে। এতে ভাল ফলাফলের আশাবাদী বলে জানান তিনি।