Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় প্রহরীকে মারধর– বিস্তারিত....
  • বামশক্তি কনসোলিটেড হয়ে দাঁড়াতে না পারলে ফিল ইন দ্য ব্লাংক করে ফেলবে ধর্মীয় শক্তি : আবুল বারকাত– বিস্তারিত....
  • মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে হলে ভ্যাটের বিকল্প নেই : ভূমিমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • নাটোরে নির্মাণের ৯ মাসেই ভেঙে পড়েছে কালভার্ট– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ইয়াবাসহ চার যুবক আটক– বিস্তারিত....

রাজশাহীতে পাখি প্রদর্শনী

নভেম্বর ২৫, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে শুরু হয়েছে দুই দিনব্যাপি পাখি প্রদর্শণী। নগরীর রেলগেটে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় কেইজ বার্ড অ্যাসোসিয়েশন অব রাজশাহী (সিবিএআর) শুক্রবার থেকে খাঁচায় পোষা পাখির এই প্রদর্শণীর আয়োজন করেছে।

এতে সংগঠনটির ১২ জন সদস্য ভাইলেট, লুটিনো, বেঙ্গল, কাটঠোট, বাজরিকা, কাকাতুয়া, ফোর পাস, ইয়োলো ফিসার, রোজিলা, ডায়মন্ড ঘুঘু, ককাটেল, লাভ বার্ড, ব্যাম, কুনুর ও কবুতরসহ ২৫ প্রজাতির পাখি নিয়ে হাজির হয়েছেন। শনিবার প্রদর্শণী শেষ হবে। এই দু’দিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত প্রদর্শনী চলবে। শুক্রবার প্রদর্শণীর প্রথম দিনেই পাখিপ্রেমীদের ঢল নামে সেখানে।

এর আগে সকালে প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআৃইজি নিশারুল আরিফ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিমেল হ্যাসবেনড্রাই অ্যান্ড ভেটেরিনারি সায়েন্স বিভাগের ডেপুটি চিফ ভেটেনারিয়ান হেমায়েতুল ইসলাম আরিফ, বারিন্দ মেডিক্যাল কলেজের পরিচালক ডা. সুজিত কুমার ভদ্র, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ফরহাদ আলী মিয়া।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিবিএআর’র সহ-সভাপতি ফেরদৌস আরা মুন্নি।

অনুষ্ঠানে তারা বলেন, শুধু গ্রামে নয়, শহরেও অনেক প্রজাতির পাখির বসবাস রয়েছে। এদের রক্ষা করতে হবে। কিন্তু যত বড় বড় বাড়ি, রাস্তা তৈরি হচ্ছে, ততই ওদের থাকার জায়গা কমে যাচ্ছে। বড় বড় গাছের পাতার আড়ালে পাখিরা সারাদিন বসে থাকবে, সে উপায় নেই। গাছগুলোই কেটে ফেলা হচ্ছে। পাখিরা ভালো করে আকাশে উড়তেও পারে না আজকাল। কতরকম তার ঝুলছে চারদিকে। অনেক পাখিরা তাই গ্রামের দিকে চলে যাচ্ছে, নদীর চরে চলে যাচ্ছে। তাদের আবাসস্থল চিহ্নিত করতে হবে। সেগুলো রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

তারা আরও বলেন, হাজার প্রতিকূলতা সত্বেও কিছু পাখি আছে, যারা শহরে থাকতেই ভালোবাসে। মানুষের সঙ্গে থাকতে ভালোবাসে। এই পাখিরা শহরে মানিয়ে নিয়েছে। গাছ নেই, তাই বাড়ির কার্নিশে, বারান্দায়, ছাদে বসে থাকে। কখনো কখনো তারা কোনো তারে বসে দোল খায়। আর কোথাও একটু জলাশয় পেলে তো কথাই নেই। সকাল-দুপুর-বিকেল, সেখানে পাখির মেলা। খেয়াল রাখতে হবে সেখানে যেন পাখি শিকারিরা হানা দিতে না পারে।