Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় প্রহরীকে মারধর– বিস্তারিত....
  • বামশক্তি কনসোলিটেড হয়ে দাঁড়াতে না পারলে ফিল ইন দ্য ব্লাংক করে ফেলবে ধর্মীয় শক্তি : আবুল বারকাত– বিস্তারিত....
  • মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে হলে ভ্যাটের বিকল্প নেই : ভূমিমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • নাটোরে নির্মাণের ৯ মাসেই ভেঙে পড়েছে কালভার্ট– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ইয়াবাসহ চার যুবক আটক– বিস্তারিত....

গণধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার দায়ে ওসি প্রত্যাহার

নভেম্বর ২৪, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, পবা : রাজশাহীর পবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে তাকে প্রত্যাহারের আদেশ দেয়া হয়। পুলিশ সুপার কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, গণধর্ষণের একটি ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ উঠেছিল ওসি শরিফুলের বিরুদ্ধে। তদন্তে বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এরপরই তাকে প্রত্যাহার করা হলো।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার (এসপি) মোয়াজ্জেম হোসেন ভুঁইয়া কোনো মন্তব্য করতে চাননি। তবে সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আবদুর রশিদ বলেছেন, ‘প্রশাসনিক কারণে পবার ওসিকে রাজশাহী পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। আর পবা থানায় এলআই বিজিবির কর্মকর্তা পরিমল কুমারকে ওসি হিসেবে পোস্টিং দেয়া হয়েছে।’

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি পবার ওসি শরিফুলের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে একটি গণধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গত ২০ নভেম্বর নির্যাতিত মেয়েটি এসপির কার্যালয়ে হাজির হয়ে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দীতে মেয়েটি বলেন, গত ২৯ মে তার কথিত প্রেমিকসহ চারজন তাকে গণধর্ষণ করে। পরদিন সকালে সে মামলা করতে পবা থানায় হাজির হয়। কিন্তুু ঘটনার বিবরণ শুনেও ওসি শরিফুল ইসলাম তাকে থানাতেই বসিয়ে রাখেন। সে কান্নাকাটি করে এ ঘটনার বিচার দাবি করে মামলা দায়ের করতে চায়। কিন্তু ওসি মামলা করতে নিষেধ করেন।

ওইদিন মামলা না নিয়েই নির্যাতিত মেয়েটিকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন ওসি। এরই মধ্যে মামলা না করতে অভিযুক্তরা তাকে বার বার নানাভাবে হুমকিও দেয়। এরপর দিন পুলিশের পক্ষ থেকে মেয়েটিকে থানায় ডেকে পাঠানো হয়। থানাতে বসেই গণধর্ষণের ঘটনা আপোষ করে দেন ওসি শরিফুল ইসলাম।

মেয়েটি তদন্ত কর্মকর্তাকে জানিয়েছেন, ওসি তাকে জোর করে ৪৭ হাজার টাকা দিয়ে আপসে বাধ্য করেছেন। তিনি শুনেছেন, ওসি শরিফুল আসামিদের কাছ থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন।

বৃহস্পতিবার রাতে পবা থানার ওসির সরকারি মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে পরিদর্শক হাসমত আলী জানান, ওসি শরিফুল ইসলাম ১০ দিন ধরে ছুটিতে আছেন। তিনি ফিরলে নতুন ওসি যোগ দেবেন। কারণ, ওসি শরিফুলকে তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে হবে।