Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় প্রহরীকে মারধর– বিস্তারিত....
  • বামশক্তি কনসোলিটেড হয়ে দাঁড়াতে না পারলে ফিল ইন দ্য ব্লাংক করে ফেলবে ধর্মীয় শক্তি : আবুল বারকাত– বিস্তারিত....
  • মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে হলে ভ্যাটের বিকল্প নেই : ভূমিমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • নাটোরে নির্মাণের ৯ মাসেই ভেঙে পড়েছে কালভার্ট– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ইয়াবাসহ চার যুবক আটক– বিস্তারিত....

বোমা ফাটিয়ে কোটি টাকা লুট

নভেম্বর ২২, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : রিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা বাজারে গুলি করে বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ১৬টি মাছের আড়তে ডাকাতি হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই ডাকাতির সময় গুলি-বোমার শব্দে আতঙ্কিত হয়ে ছুটাছুটি করতে গিয়ে এবং দুর্বৃত্তদের পিটুনিতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। দুর্বৃত্তরা ১৬টি মাছের আড়ত থেকে প্রায় কোটি টাকা লুট করে স্পীডবোট যোগে পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন হারতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হরেন রায়। এছাড়া আতঙ্কে বাজার কমিটির সভাপতি সোহরাব বেপারী (৫০) মারা গেছেন।

হরেন রায় জানান, মাগরিবের আজানের পর মুসুল্লীরা যখন নামাজের প্রস্তুতি নিচ্ছিলো, সন্ধ্যা নদীর শাখা কঁচা নদী হয়ে ২টি স্পীডবোট যোগে ১০-১২ জনের একদল দুর্বৃত্ত হারতা বাজারে প্রবেশ করে। তারা গুলি করে একাধিক বোমার বিস্ফারণ ঘটিয়ে বাজারে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

এ সময় বাজারের ব্যবসায়ী এবং আগতরা দিগ্বিদিক ছোটাছুটি শুরু করে। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা ১৬টি মাছের আড়ত থেকে নগদ প্রায় কোটি টাকা লুট করে স্পীডবোট যোগে বানারীপাড়ার দিকে পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, গুলি-বোমার শব্দে দৌড়াদৌড়ি করতে গিয়ে এবং ডাকাতদের পিটুনিতে ২০ জনের মতো আহত হয়েছেন।

হারতা বাজার কমিটির সম্পাদক শংকর মজুমদার জানান, ডাকাতরা বোমা বিস্ফোরণের পাশাপাশি বাজারের লোকজনকে বেধরক মারধর করে। এ সময় আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন বাজার কমিটির সভাপতি সোহরাব বেপারী (৫০)।

হারতা বাজারের ব্যবসায়ী ও ইউপি সদস্য মো. ফারুক অভিযোগ করেন, ডাকাতির সময় নদীর দক্ষিণ তীরে অবস্থিত হারতা ক্যাম্প পুলিশের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ ক্যাম্প পুলিশ চাইলে ৫ মিনিটের মধ্যে নদী পাড় হয়ে দুর্বৃত্তদের প্রতিরোধ করতে পারতো।

বরিশালের পুলিশ সুপার এসএম আক্তারুজ্জামান হারতা বাজারে ডাকাতির ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, দুর্বৃত্তদের ধরতে সন্ধ্যা নদীর সংলগ্ন সংশ্লিষ্ট থানা ও জেলা পুলিশকে বার্তা পাঠানো হয়েছে। হারতা ক্যাম্প পুলিশের গাফেলতির অভিযোগ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, মাগরিবের নামাজের সময় দুর্বৃত্তরা হানা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। ওই ক্যাম্প পুলিশ নদী পাড় হয়ে অপর পাড়ে পৌঁছানোর আগেই দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।