Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় প্রহরীকে মারধর– বিস্তারিত....
  • বামশক্তি কনসোলিটেড হয়ে দাঁড়াতে না পারলে ফিল ইন দ্য ব্লাংক করে ফেলবে ধর্মীয় শক্তি : আবুল বারকাত– বিস্তারিত....
  • মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে হলে ভ্যাটের বিকল্প নেই : ভূমিমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • নাটোরে নির্মাণের ৯ মাসেই ভেঙে পড়েছে কালভার্ট– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ইয়াবাসহ চার যুবক আটক– বিস্তারিত....

দিয়াজ হত্যাকাণ্ড নিয়ে ধূম্রজাল, মামলা করেনি পরিবার

নভেম্বর ২২, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নিজ বাসায় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদাক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর খুনের ঘটনায় মঙ্গলবার পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করলেও এটা হত্যা না আত্মহত্যা তা নিয়ে ধূম্রজাল তৈরি হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এটা পরিকল্পিত হত্যা বলে দাবি করলেও হাটহাজারী থানায় এ নিয়ে তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোন মামলা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর। আবার আত্মহত্যা হলেও লাশের পা ছিল খাটের বিছানার সাথে লাগানো। পুরোপুরি ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়নি বলেও দাবি তার পরিবারের।

চবি সূত্রে জানা গেছে, নিহত দিয়াজ নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র আ জ ম নাছিরের অনুসারী ছিলেন। তবে দলের অন্তকোন্দলের কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করছেন চবি ছাত্রলীগের একাংশ। কিন্ত দিয়াজের অনুসারি ও একই ব্লগের নেতাকর্মীরা এটা হত্যা বলে অভিযোগ তুলে সড়ক ও চবি শাটল ট্রেন অবরোধ করেছে মঙ্গলবার। উল্লেখ্য, গত রবিবার রাতে দিয়াজের বাসা থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এদিকে হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বেলাল উদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, ‘এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা বলতে পারবো লাশের ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলে। এ মুহূর্তে আমরা ময়না তদন্ত রিপোর্টের জন্য অপেক্ষ করছি।’

দিয়াজের ছোট বোন সাঈদা সরওয়ার নিশার দাবি, ছাত্রলীগের একটি পক্ষ তার ভাইকে মেরে ফ্যানের সাথে ঝুলিয়ে দিয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটা আত্মহত্যা হতে পারে না।

এদিকে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, দিয়াজ ইরফান চৌধুরী চবি ছাত্রলীগের একটি পক্ষের খুব প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। নিজস্ব গ্রুপ রাজনীতির পাশাপাশি শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক একটি গ্রুপের নেতৃত্বে ছিলেন দিয়াজ। চবি’র প্রায় শত কোটি টাকার টেন্ডারকে ঘিরে ছাত্রলীগের আরেকটা গ্রুপের সাথে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন দিয়াজ। এর জের ধরে গত ৩০ অক্টোবর চবি ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তাইফুল হককে কুপিয়ে জখম করে রিয়াজ অনুসারিরা। এ ঘটনার চার ঘন্টা পর দিয়াজ এবং তার তিন অনুসারি নেতার বাসায় হামলা, ভাঙচুর এবং লুটপাট করে ছাত্রলীগের অপর অংশ। এরপর দু’গ্রুপের মধ্যে একাধিকবার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। দিয়াজের অনুসারীদের দাবি, ৩০ অক্টোবর যারা তার বাসায় হামলা করেছিল, তারাই তাকে হত্যা করেছে।