Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় প্রহরীকে মারধর– বিস্তারিত....
  • বামশক্তি কনসোলিটেড হয়ে দাঁড়াতে না পারলে ফিল ইন দ্য ব্লাংক করে ফেলবে ধর্মীয় শক্তি : আবুল বারকাত– বিস্তারিত....
  • মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে হলে ভ্যাটের বিকল্প নেই : ভূমিমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • নাটোরে নির্মাণের ৯ মাসেই ভেঙে পড়েছে কালভার্ট– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ইয়াবাসহ চার যুবক আটক– বিস্তারিত....

ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে বাড়ছে নারীদের সংখ্যা

নভেম্বর ২১, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে নারীদের যোগদানের হার বেড়ে গেছে। নারীরা স্বেচ্ছায় দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীতে যোগ দিচ্ছে। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

১৮ বছর বয়সী নারী স্মাদার, তার কাঁধে ঝোলানো রয়েছে একটি স্বয়ংক্রিয় রাইফেল। কঠোর প্রশিক্ষণ চলছে, কিন্তু তারপরও স্মাদারের মুখে অমলিন হাসি। স্মাদারের নারী প্রশিক্ষক বলিষ্ঠ কন্ঠে তাকে উৎসাহ দিচ্ছেন যেন কঠোর অনুশীলন সে পার হয়ে যেতে পারে।

স্মাদার বলছেন, “এই ইউনিটকে বেছে নেয়ার জন্য আমার কোন আফসোস নেইভ আমি সম্ভাব্য সবচেয়ে বেশি লড়াকু ইউনিটে যোগ দিতে চাই”। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মধ্যে যে কৌশলপূর্ণ ও ব্যাপক পরিবর্তন হচ্ছে তারই অংশ এই নারী সেনা স্মাদার। বিপুল সংখ্যক নারী এই ‘কমবেট ইউনিট’টিতে যোগ দিচ্ছেন।

ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মাত্র চার বছর আগে এই কমবেট ইউনিটে মাত্র তিন শতাংশ নারী ছিল। বর্তমানে এই ইউনিটে নারীর সংখ্যা বেড়ে সাত শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০১৭ সাল নাগাদ এই সংখ্যা বেড়ে ৯.৫ এ পৌঁছাবে বলে সেনাবাহিনী আশা করছে। সমাজের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপট ও প্রয়োজনীয় সংখ্যক সৈন্যের অভাব এই দুই কারণেই ‘কমবেট ইউনিট’টিতে নারীর সংখ্যা বেড়ে গেছে।

প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর অবস্থান সমাজের প্রাণকেন্দ্রে। এখানে প্রায় সব ইহুদী নাগরিককেই কাজ করতে হয়। এমনকি ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগে থেকেই হাগানা’য় নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। বর্তমানে এই অঞ্চলটি খুবই শক্তিশালী।

বর্তমানে ছেলেদের বয়স ১৮ বছর হলেই দুই বছর আট মাসের জন্য তারা সেনাবাহিনীতে চাকরী করে। অন্যদিকে মেয়েরা দুই বছরের জন্য সেনাবাহিনীতে চাকরী করে। অতীতে দেখা গেছে যুদ্ধক্ষেত্রে নারীরা রেডিও অপারেটর অথবা সেবিকা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতো। কিন্তু সেই পরিস্থিতি এখন দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে। ইসরায়েলের সেনাবাহিনীতে ২০০০ সালে নারী ও পুরুষের অংশ গ্রহণে ‘ক্যারাকাল ব্যাটালিয়ান’ নামে প্রথম যৌথ ইউনিট গড়ে তোলা হয়।

ওই বছরেই ইসরায়েলে একটি সংশোধিত আইনে বলা হয়, “পুরুষদের মতো যে কোনও স্থানে যে কোনও ধরনের কাজ করার সমান অধিকার নারীদের রয়েছে”। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে যে তিনটি যৌথ ইউনিট রয়েছে ‘বারদেলাস’ তার অন্যতম একটি ইউনিট।

২০১৭ সালের মার্চ মাসে চতুর্থ ব্যাটালিয়ান করার পরিকল্পনা রয়েছে দেশটির সেনাবাহিনীর। আর ইসরায়েলের নারীদের মধ্যেও দিনে দিনে সেনাবাহিনীতে যোগদানের ইচ্ছা বেড়ে চলেছে। স্মাদারের ভাষ্য অনুযায়ী “একজন পুরুষ যা করতে পারে একজন নারীও তা পারে”।- খবর বিবিসির