Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় প্রহরীকে মারধর– বিস্তারিত....
  • বামশক্তি কনসোলিটেড হয়ে দাঁড়াতে না পারলে ফিল ইন দ্য ব্লাংক করে ফেলবে ধর্মীয় শক্তি : আবুল বারকাত– বিস্তারিত....
  • মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে হলে ভ্যাটের বিকল্প নেই : ভূমিমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • নাটোরে নির্মাণের ৯ মাসেই ভেঙে পড়েছে কালভার্ট– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ইয়াবাসহ চার যুবক আটক– বিস্তারিত....

গোদাগাড়ীতে মুক্তিযোদ্ধার ওপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

নভেম্বর ২০, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোদাগাড়ী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার নীলবোনা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সোবহানের (৬০) ওপর হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা। রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা সদর ডাইংপাড়া মোড়ে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়কের ওপর এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। এতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানের মুক্তিযোদ্ধারাসহ আবদুস সোবহানের প্রতিবেশী ও পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও মানববন্ধনে একাত্মতা প্রকাশ করে এতে অংশগ্রহণ করেন।

প্রায় ঘন্টাব্যাপি ওই মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার অশোক কুমার চৌধুরী।

গোদাগাড়ী পৗর যুবলীগের সভাপতি অধ্যাপক আকবর আলীর সঞ্চালনায় এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন, গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র মনিরুল ইসলাম বাবু, রাজশাহী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ফরাদ আলী মিয়া, সাবেক কমান্ডার সাইদুর রহমান, ডেপুটি কমান্ডার শাহাদুল হক মাস্টার, জেলা ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রফিকুল ইসলাম পিয়ারুল, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বদিউজ্জামান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মনিরুজ্জামান, উপজেলা প্রেসকাবের সভাপতি আলমগীর কবির তোতা প্রমূখ।

মুক্তিযোদ্ধার ওপর হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আমরা এই দেশ পেয়েছি। এই দেশে মুক্তিযোদ্ধাদের ওপর হামলা মেনে নেওয়া যায় না। সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় হামলাকারীদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এতে প্রশাসনের কোনো গাফিলতি দেখা গেলে সবাইকে নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২ নভেম্বর পূর্ব শত্রুতার জেরে উপজেলার নীলবোনা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সোবহানকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে একই গ্রামের মিশ্রি, তার ছেলে মাসুম ও আজাদ নামে এলাকার এক জামায়াত নেতা। পরে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখনও পর্যন্ত তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এদিকে ঘটনার পরদিন আহত মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আবদুল গাফফার বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। তবে মামলার আসামিরা আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। তাদের শাস্তির দাবিতে গত রোববারও মানববন্ধন করেন মুক্তিযোদ্ধারা।