Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় প্রহরীকে মারধর– বিস্তারিত....
  • বামশক্তি কনসোলিটেড হয়ে দাঁড়াতে না পারলে ফিল ইন দ্য ব্লাংক করে ফেলবে ধর্মীয় শক্তি : আবুল বারকাত– বিস্তারিত....
  • মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে হলে ভ্যাটের বিকল্প নেই : ভূমিমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • নাটোরে নির্মাণের ৯ মাসেই ভেঙে পড়েছে কালভার্ট– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ইয়াবাসহ চার যুবক আটক– বিস্তারিত....

জয়ে ফিরলো চিটাগং

নভেম্বর ১৮, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : রাজশাহী কিংসকে হারিয়ে জয়ে ফিরলো তামিম ইকবালের চিটাগং ভাইকিংস। বিপিএলের চলমান আসরের ১৬তম ম্যাচে তাসকিনের বোলিং তাণ্ডব আর মোহাম্মদ নবির ব্যাটিং তাণ্ডবে ১৯ রানের জয় পেয়েছে ভাইকিংস। এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে আনামুল হক ও মোহাম্মদ নবির দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে পাঁচ উইকেটে ১৯০ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায় চিটাগং। জবাবে, রাজশাহীর ইনিংস থামে ১৭১ রানে। চিটাগংয়ের হয়ে পঞ্চম উইকেট জুটিতে স্কোরবোর্ডে ১০৫ রান (৫৫ বল) তোলেন আনামুল-নবি।

১৯তম ওভারে আউট হওয়ার আগে আনামুলের ব্যাট থেকে আসে ৪০ বলে ৫০। তাতে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছক্কার মার। তাকে সামিত প্যাটেলের তালুবন্দি করেন ফরহাদ রেজা।

শুক্রবারের ম্যাচটিতে টস জিতে তামিমদের ব্যাটিংয়ে পাঠান রাজশাহী অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি। হারের বৃত্ত (টানা চার ম্যাচ) থেকে বের হতে জয় ভিন্ন কিছুই ভাবেনি চিটাগং। অন্যদিকে, এক ম্যাচের বিরতিতে জয়ে ফিরতে মরিয়া ছিল স্যামি-সাব্বিররা।

ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহী কিংসের বিপক্ষে খুনে মেজাজে ব্যাটিং করে ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেন মোহাম্মদ নবি। সঙ্গে এনামুল হকের অর্ধশতক ও শুরুতে ডোয়াইন স্মিথের ঝড়ে বড় সংগ্রহ গড়েছে চিটাগং ভাইকিংস।

নবির ৩৭ বলে অপরাজিত ৮৭ রানের সুবাদে ৫ উইকেটে ১৯০ রান করে চিটাগং।

যদিও শুরুটা ভালো হয়নি চিটাগংয়ের। তরুণ অফ স্পিনার মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তামিম ইকবাল। শুরুতেই অধিনায়ককে হারানোর ধাক্কা দলের ওপর পড়তে দেননি এক ম্যাচ পর দলে ফেরা স্মিথ। কিন্তু গ্রান্ট এলিয়ট, জহুরুল ইসলামের দ্রুত বিদায়ে চিটাগং হারাতে বসে ভালো ভিতের সুবিধা। দেখেশুনে খেলা এনামুল ও খুনে মেজাজে থাকা নবির দারুণ ব্যাটিংয়ে কক্ষপথে ফেরে দলটি।

৩৯ বলে অর্ধশতকে পৌঁছে পরের বলে ফিরেন এনামুল। ভাঙে ৯.১ ওভারে ১০৫ রানের দারুণ জুটি। চিটাগংয়ের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যানের ৪০ বলের ইনিংসটি গড়া ৪টি চার ও দুটি ছক্কায়।

৬০ রানে স্যামির হাতে জীবন পান নবি। শেষ পর্যন্ত ৮৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। আফগান অলরাউন্ডারের আগের সেরা ছিল ৫৭ রান। তার ৬টি করে ছক্কা-চার মারেন তিনি।

আবুল হাসান, ফরহাদ রেজা ১টি করে ও সামিত প্যাটেল ২ উইকেট নেন।

১৯১ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে দলকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন ওপেনার মুমিনুল হক এবং জুনায়েদ সিদ্দিক। ওপেনিংয়ে এ জুটি থেকে আসে ৪৪ রান। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে বিদায় নেন মুমিনুল। ব্যক্তিগত ২২ রানে তাসকিনের বলে জহুরুলের তালুবন্দি হন তিনি। ১৪ বলে চারটি চারের সাহায্যে মুমিনুল তার ইনিংসটি সাজান। ইনিংসের দশম ওভারে গ্রান্ট এলিয়ট ফিরিয়ে দেন ব্যক্তিগত ৩৮ রান করা জুনায়েদ সিদ্দিককে। ২৮ বলে একটি চার আর তিনটি ছক্কায় জুনায়েদ তার ইনিংসটি সাজান।

এরপর জুটি গড়েন সাব্বির রহমান এবং উমর আকমল। এ জুটি থেকে আসে আরও ৩৪ রান। ১২ বলে দুই চার আর এক ছক্কায় ২১ রান করে তাসকিনের বলে স্মিথের তালুবন্দি হন আকমল। দলীয় ১১২ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় রাজশাহী।

তিন উইকেট হারালেও রাজশাহীর রানের চাকা ঘোরান আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান সাব্বির রহমান। তবে, ব্যক্তিগত ৪৬ রান করে ঝড়ের ইঙ্গিত দেওয়া সাব্বিরকে বিদায় করেন ইমরান খান। ৩০ বলে একটি চার আর চারটি ছক্কায় সাব্বির তার ইনিংস সাজিয়ে তামিমের তালুবন্দি হন। দলীয় ১২৮ রানে চতুর্থ উইকেট হারায় রাজশাহী। এর পরের ওভারেই বিদায় নেন সামিত প্যাটেল। মোহাম্মদ নবির বলে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েন ৬ রান করা প্যাটেল।

রাজশাহীকে স্বপ্ন দেখানো দলপতি ড্যারেন স্যামিও ফিরে যান দলীয় ১৫১ রানের মাথায়। ইমরান খানের বলে বাউন্ডারি সীমানায় ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ৭ বলে দুই ছয়ে ১৪ রান করা ক্যারিবীয়ান তারকা স্যামি। ১৮তম ওভারে বিদায় নেন মেহেদি হাসান মিরাজ। তাসকিনের তৃতীয় শিকারে সাজঘরে ফেরেন রান শ্রীবর্ধানে। পরের বলেই বোল্ড করে তাসকিন ফিরিয়ে দেন ২ রান করা মিরাজকে। তবে, হ্যাটট্রিক বঞ্চিত হন টাইগার পেসার তাসকিন।

শেষ ওভারের প্রথম বলেই ফরহাদ রেজাকে (৯) ফিরিয়ে নিজের ৫ উইকেট তুলে নেন তাসকিন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারানো রাজশাহীর ইনিংস থামে ১৭১ রানের মাথায়।