Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রোহিঙ্গা সংকটের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দুষলেন সু চি– বিস্তারিত....
  • লক্ষ্মীপুরে ভাটা শ্রমিকের লাশ উদ্ধার– বিস্তারিত....
  • ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং হাসপাতালে– বিস্তারিত....
  • ফেসবুক ও টুইটারে শাহরুখের পারিবারিক ছবি– বিস্তারিত....
  • টি-টুয়েন্টিতে এক হাজার রানের রেকর্ড তামিমের– বিস্তারিত....

বরিশালের জয়রথ থামাল রংপুর

নভেম্বর ১৭, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : বরিশাল বুলসের জয়রথ থামাল রংপুর রাইডার্স। এবারের বিপিএলে প্রথম ম্যাচ হারা বরিশাল পরের তিন ম্যাচেই জিতেছিল। ঢাকায় জয়ের হ্যাটট্রিক নিয়ে চট্টগ্রামে পা রেখেছিল মুশফিকুর রহিমের দল। তবে সাগরিকায় প্রথম ম্যাচেই হেরে গেল তারা। বৃহস্পতিবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে বরিশালকে ১২ রানে হারিয়েছে রংপুর।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ১৭৫ রান করেছিল রংপুর। জবাবে ২ বল বাকি থাকতে ১৬৩ রানে থামে বরিশালের ইনিংস।

১৭৬ রান তাড়ায় শুরুতেই ধাক্কা খায় বরিশাল। ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হয়ে যান দিলশান মুনাবীরা। সোহাগ গাজীর লেগ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিতে গিয়ে উইকেটকিপার মোহাম্মদ শাহজাদের গ্লাভসে ধরা পড়েন শ্রীলঙ্কান ব্যাটসম্যান।

আগের চার ম্যাচে তিন ফিফটি করা শাহরিয়ার নাফীস এদিনও শুরুটা দারুণ করেছিলেন। সাচিত্রা সেনানায়েকের পর পর দুই বলে মিড অফ দিয়ে চার ম্মারার পর মিড অন দিয়ে হাঁকান ছক্কা। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি। পরের ওভারেই  গাজীর বলে স্টাম্পড হয়ে ফেরেন শাহরিয়ার (৯ বলে ১২)।

সপ্তম ওভারে দলীয় অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমও (৮) স্টাম্পড হয়ে সাজঘরে ফিরলে বিপদে পড়ে যায় বরিশাল। তাদের স্কোর তখন ৩ উইকেটে ৪৮। তবে চতুর্থ উইকেটে দারুণভাবে প্রতিরোধ গড়েন নাদিফ চৌধুরী ও জীবন মেন্ডিস।  রানের চাকা সচল রেখে দুজন দলের স্কোর ১০০ পার করেন। এর মাঝে সেনানায়েকের চার বলে বিশাল তিন ছক্কায় হাঁকিয়ে চট্টগ্রামের দর্শকদের মাতিয়ে তোলেন নাদিফ। ফিফটি পূর্ণ করেন মেন্ডিস।

জয়ের জন্য শেষ পাঁচ ওভারে ৫৫ রান প্রয়োজন ছিল বরিশালের। কিন্তু ১৬তম ওভারে বোলিংয়ে এসে দ্বিতীয় বল নাদিফকে ফিরিয়ে ৭৪ রানের বড় জুটি ভাঙেন শহীদ আফ্রিদি। সুইপার কভারে সৌম্য সরকারের হাতে ধরা পড়া নাদিফ ২৫ বলে ৩ ছক্কায় করেন ৪১ রান। আফ্রিদির শেষ বলে পেরেরা হাঁকান ছক্কা।

শেষ  তিন ওভার থেকে বরিশালের দরকার ছিল ৪২ রান। তবে ১৮তম ওভারে আফ্রিদি তৃতীয় বলে ফিরিয়ে দেন মেন্ডিসকে (৫৩ বলে ৫৭)। পঞ্চম বলে থিসারা পেরেরার ক্যাচ ফেলেন রুবেল হোসেন।

শেষ দুই ওভারে ২৯ রানের প্রয়োজনে রুবেলের প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান রায়াত এমরিটস। তবে তৃতীয় বলে তাকে বোল্ড করে সাজঘরের পথ দেখান রুবেল। পরের বলে আবু হায়দার রনিকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও জাগান তিনি। হ্যাটট্রিকটা না হলেও শেষ দুই বল থেকে এক রানের বেশি দেননি রুবেল।

শেষ ওভারে ২০ রানের প্রয়োজনে প্রথম বলে রানআউটে কাটা পড়েন পেরেরা। পরের বলে তাইজুল হাঁকান ছক্কা। কিন্তু তৃতীয় বলে স্টাম্পড হয়ে যান তাইজুল। পরের বলে আল-আমিনকে রানআউট করে রংপুরের জয় নিশ্চিত করেন আরাফাত সানী।

এর আগে রংপুরকে বড় সংগ্রহ এনে দেন মোহাম্মদ মিথুন, লিয়াম ডসন ও শহীদ আফ্রিদি।

তিনে নামা মিথুন ৪৪ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় করেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৬২ রান। ডসন ৩৬ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায় খেলেন ৪৬ রানের ইনিংস। তৃতীয় উইকেটে ৭৮ রানের বড় জুটিও গড়েন এই দুজন।

আর পাকিস্তানি অলরাউন্ডার আফ্রিদি ১০ বলে ২ ছক্কা ও এক চারে খেলেন ২৪ রানের ছোট্ট ঝোড়ো ইনিংস। থিসারা পেরেরা ও আল-আমিনকে মিড উইকেট দ্যে হাঁকানো ছক্কা দুটি ছিল দেখার মতো।