Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রাসিকের বর্ধিত ট্যাক্স বাতিলের দাবিতে হরতালের ডাক– বিস্তারিত....
  • রোহিঙ্গা সংকটের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দুষলেন সু চি– বিস্তারিত....
  • লক্ষ্মীপুরে ভাটা শ্রমিকের লাশ উদ্ধার– বিস্তারিত....
  • ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং হাসপাতালে– বিস্তারিত....
  • ফেসবুক ও টুইটারে শাহরুখের পারিবারিক ছবি– বিস্তারিত....

নিহত মুক্তিযোদ্ধার শরীরে ১১টি আঘাতের চিহ্ন

নভেম্বর ১৭, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : ঝালকাঠিতে নিহত মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক আবদুস ছালাম খানের শরীরে ১১টি আঘাতের চিহ্ন পেয়েছেন চিকিৎসক। বুধবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর ঝালকাঠির সিভিল সার্জন ডা.আবদুর রহিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান, ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মিজানুল হক চৌধুরী।

প্রসঙ্গত, মুক্তিযোদ্ধা শিক্ষক ছালাম খানের বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত আবদুর রহমান খান কিন্ডারগার্টেনে শিক্ষকতা করত রাজাপুরের আমতলী গ্রামের মরিয়ম আক্তার মুক্তা। তিন মাসের বেতন বকেয়া থাকায় সোমবার (১৪ নভেম্বর) শিক্ষক মরিয়ম আক্তার মুক্তার বাড়িতে বেতন পরিশোধ করতে ওই মুক্তিযোদ্ধা ঝালকাঠি ও পিরোজপুরের সীমান্তবর্তী রাজাপুরের আমতলা গ্রামের বাড়িতে যান।

এসময় জমিজমা নিয়ে পূর্বশত্রুতার জের ধরে স্থানীয় সাতুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও ইউনিয়ন যুবলীগ সদস্য বাচ্চু হাওলাদার ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি শাহ আলমের নেতৃত্বে আরও কয়েকজন, শিক্ষিকার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের গুজব ছড়িয়ে ওই মুক্তিযোদ্ধাকে পিটিয়ে আহত করে। আহত অবস্থায় মঙ্গলবার সকালে নিজ বাড়িতে মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যু হয়।

নিহত আবদুস ছালাম খান পার্শ্ববর্তী পিরোজপুর জেলার ভাণ্ডারিয়ার শিয়ালকাঠি এলাকার বাসিন্দা। তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ছিলেন।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে শামসুল আলম মুরাদ বাদী হয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ও সাতুরিয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য বাচ্চু হাওলাদার ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি শাহ আলমসহ নামধারী ৮ জন ও আরও ২/৩ জনকে আসামি করে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে রাজাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

নিহত মুক্তিযোদ্ধা আবদুস ছালাম খানের ছেলে শামসুল আলম মুরাদ প্রশাসনের কাছে তার বাবা হত্যার বিচার দাবি করেছেন।

রাজাপুর থানার ওসি মুনির উল গিয়াস জানান, ‘মামলার পর থেকে অভিযুক্তরা পালিয়ে আছে ।’ তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি।