Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রাসিকের বর্ধিত ট্যাক্স বাতিলের দাবিতে হরতালের ডাক– বিস্তারিত....
  • রোহিঙ্গা সংকটের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দুষলেন সু চি– বিস্তারিত....
  • লক্ষ্মীপুরে ভাটা শ্রমিকের লাশ উদ্ধার– বিস্তারিত....
  • ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং হাসপাতালে– বিস্তারিত....
  • ফেসবুক ও টুইটারে শাহরুখের পারিবারিক ছবি– বিস্তারিত....

অসময়ে পদ্মায় ভাঙন

নভেম্বর ১৭, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে অসময়ে পদ্মায় দেখা দিয়েছে তীব্র ভাঙন। ভাঙনে এরই মধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে উপজেলার খারিজাগাতি মৌজার বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি। এখন ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে মোল্লাপাড়া এলাকার কয়েকশো পরিবার। গেল কয়েক বছরের ভাঙনে ভিটে হারানো মানুষ এসে বসতি গড়েছেন ওই এলাকায়।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, খারিজাগাতি মোল্লাপাড়ার পূর্ব ও পশ্চিমে পদ্মার তীর স্থায়ী সংরক্ষণের কাজ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। শুধু মাঝের ছয় কিলোমিটার এলাকায় কাজ হয়নি। ফলে প্রতিবছরই নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে লোকালায়। এবারো চলে গেছে বিপুল পরিমাণ ফসলি জমি।

ভাঙন থেকে একশ মিটার দূরেই খারিজাগাতি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়। পাশেই রয়েছে নিমতলা প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর পাঁচশ মিটারের মধ্যে আঞ্চলিক দুগ্ধ খামার, ছাগল উন্নয়ন খামার ও হাঁস মুরগী উন্নয়ন খামার। ভাঙন ঠেকানো না গেলে পুরো লোকালয় পড়বে হুমকিতে।

গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান বলেন, কয়েকবছর ধরেই ওই এলাকায় পদ্মার তীর ভাঙছে। বর্ষায় এবারও ভেঙেছে। তবে বর্ষার পর তা মারাত্মক আকার নিয়েছে। এরই মধ্যে ওই এলাকার ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। পদ্মার তীর স্থায়িভাবে সংরক্ষণ ছাড়া কিছুতেই ভাঙন ঠেকানো সম্ভব নয়। বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। এখন এলাকার মানুষ তাদের মুখের দিকে চেয়ে রয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী রেজাউল করিম রেজা জানান, গত বছর উপজেলার রাজাবাড়ি থেকে বালিয়াঘাট্টা এলাকার মধ্যে আড়াই কিলোমিটার পদ্মার তীর স্থায়ী সংরক্ষণ কাজ করা হয়েছে। ওই প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্বের ডিপিপি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৬ কোটি টাকা। সেটি অনুমোদন হলেই ভাঙন কবলিত ওই এলাকায় পদ্মা তীর প্রতিরক্ষার কাজ শুরু হবে।