Ad Space

তাৎক্ষণিক

‘হিজাব ধরে টানাটানি, অভিবাসীদের ওপর শ্বেতাঙ্গদের আক্রমণ

নভেম্বর ১৬, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প বিজয়ী হওয়ার পর সেখানে হঠাৎ করেই মুসলিম, হিস্পানিক এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু অভিবাসীদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে বলে অভিযোগ করছেন এসব সম্প্রদায়ের মানুষ।

মিস্টার ট্রাম্প তাঁর নির্বাচনী প্রচারের সময় বিশেষ করে মুসলিমদের টার্গেট করে যেধরণের বক্তব্য রেখেছিলেন, তাকে এধরণের হামলার জন্য দায়ী করছেন মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতারা। যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি অভিবাসী, যাদের সংখ্যাগরিষ্ঠই মুসলিম।

এরকমই একজন নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী মাজেদা উদ্দীন নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, “এটা আমাদের জন্য খুব একটা সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। খুব সাধারণ একটা উদারহরণ দিই”। এরপর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পরের দিনের ঘটনার কথা বলতে থাকেন তিনি।

আমার ভাইয়ের মেয়ে বাসে করে কলেজে যাচ্ছিল। উনিশ বছর বয়স। সে হিজাব পড়ে। চারজন শ্বেতাঙ্গ দম্পতি তাকে অ্যাটাক করে । তার হিজাব ধরে টানাটানি করে, গালমন্দ করতে থাকে, চিৎকার করে বলতে তাকে এ দেশ থেকে বের হয়ে যা। এটা তোদের দেশ না। সে বাস থেকে নেমে চিৎকার করে কাঁদতে কাঁদতে ট্যাক্সিতে চড়ে বাসায় যায়, জানান মিসেস উদ্দিন।

মুসলিমদের নিষিদ্ধ করা হবে হিজাব নিষিদ্ধ করা হবে বলে মি. ট্রাম্প যে বক্তব্য দিয়েছেন, তারপর সকলেই কমবেশি এমন আচরণের শিকার হচ্ছেন বলে তিনি জানান। তিনি নিজেও ভীত একটি মনোভাব নিয়ে রাস্তায় চলাফেরা করেন বলে জানান মিসেস উদ্দিন। নির্বাচনের পরে ধরনের হামলা থকামানোর কথা তো মি. ট্রাম্প বলেছেন। তাতে কি কোনও কাজ হবে বলে মনে করেন না?

এমন প্রশ্নে আমেরিকার এ বাসিন্দা বলেন, তাতে তিনি একমত হতে পারছেন না। এর যুক্তি হিসেবে তিনি বলেন, ইলেকশনের একদিন পরে মি ট্রাম্পের নির্বাচনী ওয়েবসাইট থেকে মুসলিমদের নিষিদ্ধ করা সংক্রান্ত বক্তব্য সরিয়ে নেয়া হলেও, তৃতীয় দিনে আবার সেটি ওয়েবসাইটে উঠে আসে।- খবর বিবিসির