Ad Space

তাৎক্ষণিক

মরক্কো গেলেন প্রধানমন্ত্রী

নভেম্বর ১৪, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে আফ্রিকার দেশ মরক্কোতে গেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সকাল ১০টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে মরক্কোর সাবেক রাজকীয় শহর মারাকেশের উদ্দেশে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ প্রমুখ প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি সোমবার স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৪টায় মারাকেশের মেনারা বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে হোটেল লা মামৌনিয়াতে নেওয়া হবে। এ সফরকালে তিনি এ হোটেলেই অবস্থান করবেন।

তিনি মঙ্গলবার মারাকেশের বাব ইগলি হলে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কপ-২২ এর উচ্চপর্যায়ের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেবেন। এর আগে মরক্কোর বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মেদ, জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন ও ইউনিসেফের এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি পেট্রিসিয়া এসপাইনোসা, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধানদের অভ্যর্থনা জানাবেন।

বিকেলে কপ-২২ এর যৌথ উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী ৪৯তম বক্তা হিসেবে বক্তৃতা করবেন।

শেখ হাসিনা তার বক্তৃতায় জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরবেন এবং এই বিরাট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতীয় ও সমন্বিত প্রয়াস এগিয়ে নিতে এক প্রচারাভিযান জোরদার করতে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানাবেন।

একই দিন অন্যান্য দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মরক্কোর বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদের দেওয়া ভোজসভায় যোগ দেবেন।
তিন দিনের সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ১৬ নভেম্বর দেশে ফিরবেন।

এ বছর ৭ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। কপ-২১-এ গৃহীত ঐতিহাসিক চুক্তির পর এটাই হচ্ছে প্রথম বড় ধরনের কোনো সম্মেলন। গত বছর ডিসেম্বরে প্যারিসে কপ-২১-এর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাসে ১৯৯৪ সালে জলবায়ুসংক্রান্ত জাতিসংঘ ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন শুরু হয়। এই কনভেনশনের সর্বোচ্চ পরিচালনা কর্তৃপক্ষকে কপ হিসেবে অভিহিত করা হয়।