Ad Space

তাৎক্ষণিক

বাঘায় বালু স্টকের ঘটনায় ১৪৪ ধারা জারি!

নভেম্বর ১৪, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঘা : রাজশাহীর বাঘার পদ্মা নদী থেকে বালু তুলে স্টক করার ঘটনাকে কেন্দ্র দু’পক্ষের মধ্যে বাক-বিতন্ডা ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক পক্ষের অভিযেগে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। তবুও থেমে নেই বালু তুলার কার্যক্রম। ফলে যে কোন সময় বড় ধরণের সংঘর্ষের আশংকা করছেন স্থানীয় লোকজন।

সূত্রে জানা গেছে, নদী থেকে বালু তুলে ব্যক্তি মালিকনা জমির উপরে স্টক করায় উপজেলার মালিয়ানদহ গ্রামের সালাউদ্দীন পিন্টু গত ১০ নভেম্বর বাদী হয়ে জোতকাদিরপুর ও গোকুলপুর গ্রামের শাজামাল, সেলিম উদ্দিন, বাবু হোসেন, সান্টু হোসেন, নাজমুল হক, শাহবাজ আলী, রান্টু হোসেন, চতু হোসেন এবং রান্টুসহ অজ্ঞাত আরো ৯ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে আদালতে একটি মামলা করেন। মামলা নম্বর ৫০৭।

এই মামলার পরিপ্রেক্ষিত আদালত শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে ১৪৪ ধারা জারির একটি নোটিশ দেন। আদালত কর্তৃক প্রেরিত নোটিশ বাঘা থানার পুলিশের পক্ষ থেকে ১১ নভেম্বর উপজেলার পদ্মা নদীর গোকুলপুর বালু ঘাটের উপর জারি করা হয়।

নোটিশ জারির পরেও জোরপূর্বক পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন করে পিন্টুর নিজস্ব জমির উপর রাখা হচ্ছে। স্থানীয় লোকজন পৃথক দুটি’ মামলা এবং বাক-বিতন্ডের ঘটনাকে কেন্দ্রে করে আশংকা করছেন যে, যেকোন সময় এই দুই পক্ষের মধ্যে বালু স্টক করার ঘটনা নিয়ে বড় ধরণের সংঘাত হতে পারে। তাই তারা অতিসত্তর এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ঠদের দৃষ্টি কামনা করেছেন।

অভিযুক্ত সেলিম উদ্দিন বলেন, আমি লিজ নেওয়া জায়গাতে আগের উত্তোলন করা বালি রেখেছি। অভিযোগকৃত জমির উপর কোন বালি রাখা হয়নি। আমার নামে অন্যায় ভাবে অভিযোগ করা হয়েছে।

অপরদিকে বাদী সালাউদ্দীন পিন্টু জানান, আমি দীর্ঘদিন থেকে বালুর ব্যবসা করে আসছি। আমার নিজস্ব জায়গাতে জোরপূর্বক বালু রাখা হয়েছে। ফলে আমি বাদী হয়ে আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছি। আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে ১৪৪ ধারা জারি করেন। এছাড়া তারা জোরপূর্বকভাবে বাবলু রাখছে। এমতাবস্থায় আমি থানায় পৃথক আরো একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।

বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মাহমুদ জানান, আদালতের ১৪৪ ধারা জারির নোটিশ মোতাবেক শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার্থে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তারপরও কেউ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে ।