Ad Space

তাৎক্ষণিক

সংখ্যালঘুদের সর্বোত নিরাপত্তা দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

নভেম্বর ১২, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সর্বোত নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকারের আন্তরিকতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এটা সবার দায়িত্ব। শনিবার রাজশাহী বিভাগের মানুষের উদ্দেশ্যে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে দেওয়া বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হিন্দুদের মন্দির, বাড়িঘরে হামলা এবং সবশেষে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারী, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে তিন সাঁওতালের মৃত্যু নিয়ে আলোচনার মধ্যে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে কথা বললেন সরকারপ্রধান।

শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি। জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসকে আমরা কোনোদিন প্রশ্রয় দেব না। এই দেশের মাটিতে কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হবে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ পরিবেশ। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব না। “আমাদের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে সর্বোতভাবে নিরাপত্তা দিতে হবে। এটা আমাদের সকলের দায়িত্ব।”

ফেইসবুকে ‘ইসলাম অবমাননার’ অভিযোগ তুলে গত ৩০ অক্টোবর নাসিরনগরে ১৫টি মন্দির এবং হিন্দুদের শতাধিক ঘরে ভাংচুর ও লুটপাট চালানো হয়।

এ ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার মধ্যেই গত ৬ নভেম্বর রংপুর চিনিকলের সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মের বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ও পুলিশের সঙ্গে সাঁওতালদের সংঘর্ষ হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ একটা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম। প্রত্যেক ধর্মের মূল বাণী তাই। প্রত্যেক ধর্মের মানুষ তার ধর্ম পালন করতে পারবে, এটাই ইসলামের কথা। এটাই পবিত্র কোরআনের কথা। আমরা এটাই মেনে চলি।

“জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ ইসলামের পথ না। কাজেই এটাই চাইব, দেশের প্রত্যেকটা মসজিদে ইমাম সাহেবরা বা যারা জুমার নামাজের আগে খুৎবা দেন, সেখানে আপনারা এই জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে নবী (স.) কী বলে গেছেন, কোরআনে কি আছে, ইসলাম ধর্ম কী বলে, এই বিষয়গুলো মানুষকে আরও ভালোভাবে জানাতে হবে। যাতে এই ধরণের আত্মঘাতী পথে পা না বাড়ায়।”

“আমরা সব সময় চাই, আমাদের দেশে সম্প্রীতি বজায় থাকবে, দেশের উন্নতি হবে,” বলেন শেখ হাসিনা।