Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় প্রহরীকে মারধর– বিস্তারিত....
  • বামশক্তি কনসোলিটেড হয়ে দাঁড়াতে না পারলে ফিল ইন দ্য ব্লাংক করে ফেলবে ধর্মীয় শক্তি : আবুল বারকাত– বিস্তারিত....
  • মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে হলে ভ্যাটের বিকল্প নেই : ভূমিমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • নাটোরে নির্মাণের ৯ মাসেই ভেঙে পড়েছে কালভার্ট– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ইয়াবাসহ চার যুবক আটক– বিস্তারিত....

বাঘায় ড্রেনের কাজ নিয়ে বাকবিতন্ডা ! অত:পর অভিযোগ !

নভেম্বর ১২, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঘা : রাজশাহীর বাঘা পৌর এলাকায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার ড্রেন নির্মানের কাজকে কেন্দ্র করে ঠিকাদারের লোকজন এবং  কাউন্সিলরের মধ্যে বাক বিতন্ডের ঘটনা ঘটেছে।  শনিবার (১২-১১-১৬) সকালে  উপজেলার বাস টার্মিনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে পৌর সভার প্রকৌশলী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে দুই লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় প্যানেল মেয়র আব্দুল কুদ্দুস সরকার কাজের বিপরীতে এই অভিযোগ তুলেছেন।

সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ৫ তারিখ বাঘা পৌর সভার  অবকাঠামো উন্নয়ন শীর্ষক ৭ টি প্রকল্পের মাধ্যমে ৬ কোটি  ১৩ লক্ষ টাকা কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এই কাজের মধ্যে রয়েছে রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন ও পানি নিস্কাসনের জন্য ড্রেন নির্মান। এরমধ্যে বাঘা পুরাতন বাস টার্মিনাল হতে সড়ক ঘাট পর্যন্ত সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে আড়াই কিলোমিটার ড্রেন নির্মান কাজ  পেয়েছেন “মা বিল্ডার’’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। যার পরিচালক  সেলিম রেজা।

বাঘা পৌর সভার প্যানেল মেয়র ও পৌর আ’লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস সরকার স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ড্রেন নির্মান কাজের জন্য যে ধরনের কালো ভাঙ্গা পাথর  ব্যবহার করার কথা তা না করে নিম্নমানের সাদা পাথর এনে কাজের কাছে ফেলে রাখা হয়েছে। তিনি এই পাথর দিয়ে কাজ করতে বারণ করায়  ঠিকাদারের প্রতিনিধি  মহিদুল ইসলাম ও দুলাল হোসেন তাঁর সাথে বাক বিতন্ডায় জড়িয়েছেন। তিনি প্রয়োজনে এ বিষয়ে আইনের আশ্রয়  নিবেন বলেও  উল্লেখ করেন।

তবে ঠিকাদারের প্রতিনিধি মহিদুল ইসলাম দাবি করেছেন ভুল বসত একট্রাক পাথর নিম্নমানের এসেছে। এই পাথর দিয়ে কাজ করা হবেনা। এগুলো ফেরত পাঠানো হবে।  তিনি বাঘা পৌর সভার প্যানেল মেয়র ও পৌর আ’লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন,  এই কাজের জন্য আব্দুল কুদ্দুস সরকার প্রথমে দুই লাখ পরে দেড় লাখ টাকা উৎকোচ চেয়ে বসে আছেন। তাকে টাকা না দেওয়ায় তিনি ও তার লোকজন এসে কাজে ঝামেলা করছে।

এ বিষয়ে বাঘা পৌর মেয়র আক্কাস আলীর সাথে কয়েক দফা যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। একটি সূত্র জানিয়েছেন তিনি এই মুহুর্তে ঢাকায় রয়েছেন। তবে পৌর সভার প্রকৌশলী  তাজুল ইসলাম জানান, এখন রডের কাজ চলছে। ঢালাই এর কাজ শুরু হলে সিডিউল মোতাবেক কালো পাথর দিয়ে কাজ সম্পন্য করানো হবে।