Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী, বিদায় তামিমদের– বিস্তারিত....
  • নাটোরে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী ও সাংবাদিক নান্টুর মায়ের ইন্তেকাল– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীতে ছাত্রমৈত্রীর প্রতিষ্ঠাবাষির্কী পালিত– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীর সংবাদপত্রগুলোতে নিয়োগপত্রের দাবিতে আরইউজে’র স্মারকলিপি– বিস্তারিত....
  • নছিমনের ধাক্কায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত– বিস্তারিত....

হার দিয়ে শুরু ‘চ্যাম্পিয়ন’ মাশরাফিদের

নভেম্বর ৮, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : পরিবর্তিত সূচিতে শুরু হওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চতুর্থ আসরের উদ্বোধনী ম্যাচেই হারের মুখ দেখেছে গত আসরে চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। মঙ্গলবার দিনের প্রথম ম্যাচে তামিম ইকবালের চিটাগং ভাইকিংসের ছুঁড়ে দেওয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে ছুটতে যেয়ে ২৯ রানের হার নিয়ে মাঠ ছেড়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার কুমিল্লা।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার টস হেরে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে নির্ধারিত ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রান তোলে চিটাগং। তামিম ইকবালের ফিফটি ও শোয়েব মালিকের ছোট্ট ঝড়ে এই সংগ্রহ গড়ে বন্দরনগরীর দলটি। জবাব দিতে নেমে তরুণ নাজমুল হোসেন শান্তর অপরাজিত ফিফটির পরও নির্ধারিত ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রানের বেশি এগোতে পারেনি ভিক্টোরিয়ান্সরা।

দেড়শো পেরোনো লক্ষ্য তাড়া করতে যেয়ে যেমন শুরু প্রয়োজন কুমিল্লা সেটা তো করতে পারেইনি, উল্টো নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে বিপদ বাড়িয়েছে। এক সময় তো বাড়ন্ত রানরেটটার সঙ্গে আর পাল্লা দিয়ে উঠতেই পারেনি।

ইমরুল কায়েসকে (৬) দিয়ে শুরু। এরপর একে একে সাজঘরে ফিরেছেন মারলন স্যামুয়েলস (২৩), লিটন দাস (১৩) আশহার জাইদি (২), অধিনায়ক মাশরাফি (১), ইমাদ ওয়াসিম (৪) ও আল-আমিন ১৪ রানে।

এরপরও কুমিল্লার রানটা যে ভদ্রস্থ জায়গায় গেল তার পেছনে অবদান ঘরের মাঠে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ব্যাট হাতে নজর কাড়া নাজমুল হোসেন শান্তর। চারে নামা এই তরুণ দারুণ এক ফিফটি তুলে নিয়ে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন ৫৪ রানে। ৬ চারে ৪৪ বলে নিজের ইনিংসটি সাজিয়েছেন তিনি। ইনিংসের ২০তম ওভারে তাসকিনকে টানা চারটি চার মারার সঙ্গে ১৮ রান তুলে নিয়েছেন জাতীয় দলের দরজায় কড়া নাড়তে থাকা শান্ত।

চিটাগংয়ের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল আফগান মোহাম্মদ নাবি। ৪ ওভারে ২৪ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এছাড়া স্মিথ, রাজ্জাক, মিলস ও তাসকিন নিয়েছেন ১টি করে উইকেট।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে দেখেশুনেই খেলেন চিটাগংয়ের দুই উদ্বোধনী তামিম ইকবাল ও ডোয়াইন স্মিথ। ৫.৫ ওভারে ৩৬ রানের জুটি গড়েন দুজনে। ইমাদ ওয়াসিমের বলে ক্যাচ দিয়ে স্মিথ (৯) সাজঘরে ফিরলে ভাঙে এই জুটি।

তবে তামিম ছিলেন সহজাত মারকুটে ও সাবলীল। এনামুল হক বিজয়কে নিয়ে পরের ৫ ওভারে দ্রুতগতিতে ৪৪ রান তুলে ফেলেন চিটাগং অধিনায়ক। অবশ্য অপর প্রান্তের উইকেট সঙ্গীর ভুলে রান আউটে অকালমৃত্যু হয়েছে তার সম্ভাবনাময় ইনিংসটির। ফেরার আগে ৩৮ বলে ৪ চার ও ২ ছয়ে ৫৪ রান করেছেন ভাইকিংস অধিনায়ক।

তামিমের রান আউটে ‘ভূমিকা’ রাখা এনামুলও একই ফাঁদে পড়েছেন ব্যক্তিগত ২২ রানে। সেখান থেকে চিটাগংয়ের সংগ্রহটা বাড়িয়ে নিতে অবদান রাখেন শোয়েব মালিক। এই পাকিস্তানি তারকা জহুরুল ইসলামকে নিয়ে ৪১ বলে অবিচ্ছিন্ন ৬০ রানের জুটি গড়েন।

শোয়েব ২টি করে চার-ছয়ে ২৮ বলে ৪২ ও জহুরুল ৩ চারে ২১ বলে ২৯ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন।

কুমিল্লার হয়ে একমাত্র উইকেটটি নেন ইমাদ ওয়াসিম। বাকি দুটি রান আউট। অধিনায়ক মাশরাফি ৪ ওভারে ৩৪ রান দিলেও কোনো সাফল্য পাননি। শেষপর্যন্ত সাফল্যহীন থাকল তার দলও। তাতে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ১৫তম বছর পূর্তির দিনেও হার দেখতে হলো টাইগারদের রঙিন পোশাকের অধিনায়ককে।