Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী, বিদায় তামিমদের– বিস্তারিত....
  • নাটোরে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী ও সাংবাদিক নান্টুর মায়ের ইন্তেকাল– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীতে ছাত্রমৈত্রীর প্রতিষ্ঠাবাষির্কী পালিত– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীর সংবাদপত্রগুলোতে নিয়োগপত্রের দাবিতে আরইউজে’র স্মারকলিপি– বিস্তারিত....
  • নছিমনের ধাক্কায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত– বিস্তারিত....

রাবি শিক্ষক হত্যা : ৫ জেএমবির বিরুদ্ধে চার্জসিট

নভেম্বর ৬, ২০১৬

রাবি প্রতিবেদক : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইংরেজী বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক এ এফ এম রেজাউল করিম সিদ্দিকী হত্যা মামলায় পাঁচ জেএমবি সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ। রবিবার বিকেলে মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহানগর গোয়েন্দা শাখার পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রেজাউল সাদিক।

অভিযুক্ত জেএমবি সদস্যরা হলেন, রাবির ইংরেজী বিভাগের ছাত্র শরিফুল ইসলাম, ক্রপ সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী রহমতুল্লাহ ওরফে শাহিন, নগরীর খড়খড়ি বাইপাস এলাকার আব্দুস সাত্তার ও তার ছেলে খায়রুল ইসলাম ওরফে রিপন এবং বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মাসকাওয়াত হোসেন সাকিব। এদের মধ্যে জেএমবি নেতা শরিফুল ইসলাম পলাতক আছেন। অপর চারজন এই মামলায় জেলহাজতে আছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রেজাউস সাদিক বলেন, ‘শিক্ষক রেজাউল করিম হত্যা মামলার তদন্তে জেএমবির আট সদস্যের জড়িত থাকার প্রমান পাওয়া গেছে। তবে ওই ৮ জনের মধ্যে তিনজন (খাইরুল ইসলাম বাধন, নজরুল ওরফে হাসান ও ওসমান) বিভিন্ন সময় পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। বাকি পাঁচজনের বিচার হবে। এর মধ্যে শরিফুল ইসলাম পলাতক আছেন।’

রেজাউস সাদিক আরো বলেন, ‘গ্রেফতার চারজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে শিক্ষক রেজাউল হত্যার দায় স্বীকার করে। আগামী ৮ নভেম্বর অভিযোগপত্রের ওপর শুনানির দিন ধার্য্য করেছেন আদালত।’

মামলার অভিযোগপত্র দাখিলের বিষয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে অধ্যাপক রেজাউল করিমের সহকর্মী ও রাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি  ড. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘পুলিশের তদন্তের প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে। এখন আমরা অভিযুক্তদের শাস্তি দ্রুত দেখতে চাই।’

গত ২৩ এপ্রিল সকালে মহানগরীর শালবাগান এলাকায় বাসার কাছে কাছে শিক্ষক রেজাউল করিম সিদ্দিকীকে কুপিয়ে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাতদের আসামী করে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন নিহতের ছেলে রিয়াসাত ইমতিয়াজ সৌরভ। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে।