Ad Space

তাৎক্ষণিক

রাজশাহীতে গভীর শোকে পালিত জেলহত্যা দিবস

নভেম্বর ৩, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীতে গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় পালিত হচ্ছে ইতিহাসের কলঙ্কময় জেলহত্যা দিবস। রাজশাহী মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ এবং তার অঙ্গসংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করছেন।

দিনটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সূর্যদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নগরীর কুমারপাড়ায় মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৯টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতীকৃতিতে পুষ্পমাল্য দিয়ে শুরুা হয় জেলহত্যা দিবসের কর্মসূচি। সকাল সাড়ে ১০টায় মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে কুমারপাড়া দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি শোকযাত্রা বের করা হয়।

শোকযাত্রাটি মহানগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্ট, সোনাদীঘির মোড় ও মণিচত্বর হয়ে মহানগরীর কাদিরগঞ্জে অবস্থিত জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধিস্থলে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
কর্মসূচি থেকে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অবিলম্বে জেলহত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়ার বাকী অংশ শেষ করে খুনিদের দেশে ফেরত এনে তাদের ফাঁসির দাবি জানান।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- শহীদের ছেলে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি, আয়েন উদ্দিন এমপি, সংরক্ষিত আসনের এমপি আখতার জাহান, মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহীন আকতার রেণী, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ প্রমুখ।

এদিকে জাতীয় চার নেতার স্মরণে কুমারপাড়ায় দলীয় কার্যালয় ছাড়াও মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড কার্যালয় ও বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে এবং গুরুত্বপূর্ণস্থানে আজ ভোর থেকে মাইকে কোরআন তেলোয়াত করা হচ্ছে। দুপুরে দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয় খাবার।

এছাড়া বিকেল ৫টায় মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এতে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয়  নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে।

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে ঢুকে জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মনসুর আলী এবং আবুল হাসনাত মোহাম্মদ কামারুজ্জামান হেনাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। দিনটি জাতি গভীর শোক ও শ্রদ্ধার মধ্যে দিয়ে পালন করে আসছে।