Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • নাটোরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীতে ঈদের জামাতে জঙ্গিবাদ পরিহারের আহ্বান– বিস্তারিত....
  • ঈদ শুভেচ্ছা কমেছে কার্ডে, বেড়েছে পোস্টারে– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ব্যাংকের বুথে টাকা শূণ্য, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীতে কোথায় কখন ঈদের জামাত– বিস্তারিত....

টাকা ও ভিজিডির চাল আত্মসাত, সাবেক চেয়ারম্যান গ্রেফতার

নভেম্বর ৩, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, চারঘাট : নিমপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের স্বাক্ষর জাল করে সরকারী টাকা ও গরীব ও অসহায়দের ভিজিডির চাল আত্মসাতের তিনটি অভিযোগে রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুস পলাশকে গ্রেফতার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুপুরের দিকে রাজশাহী মহানগরীর ভেড়িপাড়া এলাকা থেকে দুদক তাকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। আবদুল কুদ্দুস পলাশ উপজেলার নিমপাড়া ইউনিয়নের কৈডাঙ্গা গ্রামের আবদুস সাত্তারের ছেলে।

চারঘাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিবারন চন্দ্র বর্মন সাবেক চেয়ারম্যান পলাশ গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে পরিষদের সচিব আমিনুল হক ও সংরক্ষিত নারী মেম্বর সুফিয়া বেগম বাদী হয়ে পলাশের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতির পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দুটি দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক রাজশাহী অফিস তদন্ত করছিলেন।

এ ছাড়াও ইউনিয়ন ট্যাগ অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন বাদী হয়ে ১২ টন ২৪০ কেজি ভিজিডির চাল আত্মসাতের অভিযোগে আরো একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলাটিও দুদক রাজশাহী অফিস তদন্ত করছেন।

মামলার বাদী সচিব আমিনুল হক জানান, চলতি বছরের ১০ আগষ্ট/২০১৬ সোনালী ব্যাংক চারঘাট শাখায় ব্যাংক ষ্ট্যাটমেন্ট আনতে গিয়ে দেখা যায় ১০ জুলাই সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল কুদ্দুস পলাশ সচিব ও সংরক্ষিত (৪,৫,৬) নারী সদস্য সুফিয়া বেগমের স্বাক্ষর জাল করে উন্নয়নের খাতের ৪ লাখ ৫৭ হাজার ৩৬৮ টাকা উত্তোলন করে নিয়েছেন। এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পলাশসহ তার পরিবারের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও সে সরকারী টাকা ফেরত দেয়নি।

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুস সামাদ বরাবর সেপ্টেম্বর মাসে লিখিত অভিযোগ করলে তিনি আমাকে মামলা করার নির্দেশ দেন।

এ দিকে সচিব ও নারী সদস্যর স্বাক্ষর জাল করে সরকারী টাকা আত্মসাতের ঘটনায় মামলা হওয়ার পর পরই ভিজিডির ১২ মেট্রিক টন ২৪০ কেজি চাল আত্মসাতের ঘটনায় পৃথক আরো একটি মামলা করেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্যানেটারী ইন্সপেক্টর ইউনিয়ন ট্যাগ অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন।