Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • নাটোরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীতে ঈদের জামাতে জঙ্গিবাদ পরিহারের আহ্বান– বিস্তারিত....
  • ঈদ শুভেচ্ছা কমেছে কার্ডে, বেড়েছে পোস্টারে– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ব্যাংকের বুথে টাকা শূণ্য, ভোগান্তিতে গ্রাহকরা– বিস্তারিত....
  • রাজশাহীতে কোথায় কখন ঈদের জামাত– বিস্তারিত....

পাবনায় গৃহবধূকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ

নভেম্বর ২, ২০১৬
পাবনা প্রতিনিধি : পাবনা সদর উপজেলার চর বাঙ্গাবাড়িয়ায় যৌতুকের দাবিতে শ্বাসরোধে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। বুধবার বেলা ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আসমা উল হুসনা (২৬) ওই গ্রামের রাসেল প্রামানিকের স্ত্রী।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল হাসান জানান, পাবনা সদরের চরবাঙ্গাবাড়িয়া গ্রামের আলতাব হোসেন প্রামানিকের ছেলে রাসেলের সাথে ৭ বছর পূর্বে পার্শ্ববর্তী কুষ্টিয়া জেলার শিলাইদহ ইউনিয়নের চর সাদীপুর গ্রামের আখতার মোল্লার মেয়ের সাথে বিয়ে হয়। ৭ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাদের ২ ও ৪ বছরের দুই সন্তানও রয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে আজ বেলা ১২ টার দিকে আসমা মারা যায়। পরে একটি অটোরিক্সায় করে তার মৃতদেহ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অটোরিক্সা চালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আটক করা হয়েছে।

নিহত আসমার চাচা আশরাফুল ইসলাম জানান, আমার ভাতিজিকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর একটি অটোরিক্সায় করে মৃতদেহ হাসপাতালে পাঠানো হয়। যদি তারা হত্যা নাই করবে তাহলে কেন অন্য লোক দিয়ে হাসপাতালে পাঠানো হলো। ইতোপূর্বে ভাতিজিকে নির্যাতন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

নিহতের বাবা আখতার হোসেন মোল্লা বলেন, কয়েকদিন পূর্বেও আমার মেয়ের গহনা বিক্রি নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। মেয়ে আমাকে ফোন করে বললে তামি তাকে গহনাগুলো জামাইয়ের হাতে দিয়ে দিতে বলি। আমি জমি বিক্রি করে ৪ ভরি স্বর্ণের গহনা দিয়েছিলাম। সেই মেয়েকে ওরা হত্যা করলো, আমি এ হত্যার বিচার চাই। কথা বলতে বলতে কান্নায় ভেঙে পড়েন আখতার মোল্লা।

নিহত আসমার মা মর্জিনা খাতুন কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের ফাসি চাই। ছোট ছোট ২ টি ছেলে হুসাইন ও হাসানকে কীভাবে রাখবো বলে কান্না শুরু করে দেন তিনি। তবে নিহতের স্বামী রাসেলের পরিবারের কারোর সাথেই কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ওসি আরো বলেন, নিহতের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্যে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা জানা যাবে। তবে এ ঘটনার পর পরই আমাদের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে যেটা জানতে পেরেছে সেটা আত্মহত্যা বলেই শুনতে পেরেছি। তবে মেয়ের পরিবারের অভিযোগ পেলে বিয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।