Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রাসিকের অস্বাভাবিক হোল্ডিং ট্যাক্স বৃদ্ধি তদন্তের নির্দেশ মন্ত্রণালয়ের– বিস্তারিত....
  • দুর্গাপুরে পুকুর খননের অভিযোগে চারজন আটক– বিস্তারিত....
  • জয়পুর মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠান– বিস্তারিত....
  • ছাত্রলীগ নেতাকে হাতুড়ি দিয়ে পেটালো আ’লীগের নেতারা– বিস্তারিত....
  • মোহনপুরে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ– বিস্তারিত....

টানা পাঁচ ম্যাচ হারার পর জয় পেল ম্যানচেস্টার সিটি

নভেম্বর ২, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : বার্সেলোনার কাছে টানা পাঁচ ম্যাচ হারার পর অবশেষে জয় পেল ম্যানচেস্টার সিটি। কেভিন ডি-ব্রুইন, ইলকাই গুনদোয়ানের নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ৩-১ গোলে জিতেছে পেপ গুয়ার্দিওলার দল। ‘সি’ গ্রুপে আগের ম্যাচেই কাম্প নউ থেকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়ে এসেছিল সিটি। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হেরেছিল এর আগের চারটি ম্যাচেও।

মঙ্গলবার রাতে ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলে কোচ গুয়ার্দিওলার ভাষায় ‘ফাইনাল’ খেলতে নামা স্বাগতিকরা। একাদশ মিনিটে বার্সেলোনার ডি-বক্সে সামুয়েল উমতিতির বাধায় পড়ে যান রাহিম স্টার্লিং। তবে উল্টো তাকে হলুদ কার্ড দেখতে হয় ডাইভ দেওয়ার অভিযোগে। প্রতিআক্রমণ থেকে লিওনেল মেসির বার্সেলোনা এগিয়ে যায় ২১তম মিনিটে। বার্সেলোনার ডি-বক্সের কাছ থেকে শুরুটা মেসির পা থেকেই। বাঁয়ে নেইমারকে লম্বা পাস দিয়ে কেবল এগিয়েছেন প্রতিপক্ষের ডি-বক্সের দিকে। নেইমারের ফেরত পাঠানো বল নিয়ন্ত্রণ নিতে নিতেই ডি-বক্সে ঢুকে বাঁ পায়ের শটে জালে পাঠান আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের এবার তিন ম্যাচে ৭ গোল হলো আগের দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করা মেসির। ২৭তম মিনিটে কাছ থেকে নেইমারের কোনাকুনি শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান গোলরক্ষক।

৩৫তম মিনিটেও গোলের ভালো সুযোগ এসেছিল অতিথিদের সামনে। তবে মেসির ক্রস থেকে লুইস সুয়ারেস খুব কাছে ফাঁকায় দাঁড়িয়েও ঠিকমতো হেড নিতে পারেননি। একটু পর উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকারের শট ঠেকান ডিফেন্ডার জন স্টোন। ৩৯তম মিনিটে সের্হি রবের্তোর ভুলে সমতা ফেরান গুনদোয়ান। রবের্তোর পাস ধরে ফেলে আগুয়েরো বাড়িয়েছিলেন স্টার্লিংকে। তার ক্রস থেকে আলতো টোকায় বল জালে পাঠান জার্মান মিডফিল্ডার গুনদোয়ান।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই সিটিকে এগিয়ে নেওয়ার দুর্দান্ত সুযোগ এসেছিল স্টার্লিংয়ের সামনে। ডি-বক্সে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়েও প্রথম ছোঁয়াটা ঠিকমতো নিতে পারেননি ইংলিশ স্ট্রাইকার। ৫১তম মিনিটে দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে স্বাগতিকদের এগিয়ে দেন ডি-ব্রুইন। একটু দেরিতে নড়ায় বলে হাত লাগিয়েও শেষ রক্ষা করতে পারেননি মার্ক-আন্ড্রে টের স্টেগেন। দুই মিনিট পর ডি-ব্রুইনের ফ্রি-কিকে পা ছোঁয়াতে পারেনি নিকোলাস ওতামেন্দি। একটু পর কোলারভের ক্রসে পা লাগতে পারেননি ডি-ব্রুইনও।

সিটির একের পর এক আক্রমণের মাঝেই বার্সেলোনার সমতা ফেরানোর সুযোগ এসেছিল। ৬৫তম মিনিটে সুয়ারেসের পাস থেকে আন্দ্রে গোমেসের শট গোলরক্ষককে ফাঁকি দিলেও লাগে ক্রসবারে। পরের মিনিটে স্টার্লিংয়ের পাস থেকে ডি-ব্রুইনের বাঁকানো শটও পোস্টের বাইরের দিকে লাগে।

৭৪তম মিনিটে ডি-ব্রুইনের বাড়ানো বল থেকে হেসুস নাভাসের ক্রস আগুয়েরোর গায়ে লেগে পেয়ে ব্যবধান বাড়ান গুনদোয়ান। আগুয়েরোর হাতে বল লাগে বলে টের স্টেগেন দাবি করলেও কানে তোলেননি রেফারি। চার ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে ‘সি’ গ্রুপে শীর্ষেই আছে লুইস এনরিকের দল। ৭ পয়েন্ট নিয়ে এর পরেই আছে সিটি।

মঙ্গলবার গ্রুপের অন্য ম্যাচে জার্মানির বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখ ও স্কটল্যান্ডের সেল্টিকের ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। টিকে আছে ৪ পয়েন্ট পাওয়া মনশেনগ্লাডবাখ আর ২ পয়েন্ট পাওয়া সেল্টিকের সম্ভাবনাও।