Ad Space

তাৎক্ষণিক

রাজশাহী চিনিকলে ৩৫২ কোটি টাকা লোকশান নিয়ে আখ মাড়াই শুরু

অক্টোবর ৩১, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : পাঁচ হাজার টন চিনি মজুত নিয়ে রাজশাহী চিনিকলের চলতি (২০১৬-১৭) অর্থবছরের আখ মাড়াই শুরু হয়েছে। প্রায় ৩৫২ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা রয়েছে এ চিনিকলে। এছাড়াও চিটাগুড় মজুদ আছে ৩ হাজার ৩৯৫ টন।

সোমবার বিকালে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের চেয়ারম্যান একেএম দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এ মৌসুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আয়েন উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর দফতর ঢাকার সিডিআর পরিচালক হাবিবুর রহমান, নর্থ বেঙ্গল চিনিকল ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবদুল আজিজ, নাটোর চিনিকল ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল্লাহ, কাটাখালি পৌর মেয়র আব্বাস আলী, রাজশাহী চিনিকল মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) রফিকুল ইসলাম, মহাব্যবস্থাপক (কারখানা) ওয়াদুদ আল-আমিন, মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) সিদ্দিক আলী, মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) সায়েন বিন সোলেয়মান। স্বাগত বক্তব্য দেন রাজশাহী চিনিকল ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন।

রাজশাহী চিনিকল সূত্র জানায়, এবার মিলজোন এলাকায় ১৫ হাজার একর জমিতে আখের চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিলো। তার বিপরীতে চলতি বছর চাষ হয়েছে ১২ হাজার ৩৭১ একর। চলতি মৌসুম আখ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা এক লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন ধরা হয়েছে। চলতি বছর চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮ হাজার ২৫০ মেট্রিকটন। গত মৌসুমে চিনি উৎপাদন সাড়ে ৭ হাজার টন ধরলেও উৎপাদন হয়েছিল ৪ হাজার ২৮৭ টন।

এবার মিলগেটে চাষীরা প্রতি মণ (৪০ কেজি) আখের দাম পাচ্ছেন ১১০ টাকা এবং মিলগেটের বাইরের চাষীরা পাবেন ১০৫ টাকা।

প্রায় ৩৫২ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা রয়েছে এ চিনিকলে। মিলজোন এলাকায় ক্রাশার চলায় এবারও আখের অভাবে সীমিত সময় চলার পর বন্ধ হয়ে যেতে পারে এ মিলের চিনি উৎপাদন। গত বছর ৬১দিন মিল চালু রাখার ব্যবস্থা থাকলেও আখের অভাবে ৫১ দিন চলেছে।