Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • ‘আপত্তিকর’ কাজে বাধা দেয়ায় প্রহরীকে মারধর– বিস্তারিত....
  • বামশক্তি কনসোলিটেড হয়ে দাঁড়াতে না পারলে ফিল ইন দ্য ব্লাংক করে ফেলবে ধর্মীয় শক্তি : আবুল বারকাত– বিস্তারিত....
  • মধ্যম আয়ের দেশ গড়তে হলে ভ্যাটের বিকল্প নেই : ভূমিমন্ত্রী– বিস্তারিত....
  • নাটোরে নির্মাণের ৯ মাসেই ভেঙে পড়েছে কালভার্ট– বিস্তারিত....
  • নাটোরে ইয়াবাসহ চার যুবক আটক– বিস্তারিত....

বাগমারায় আ.লীগ ৯, বিএনপি ৩, অন্যান্য ৪

অক্টোবর ৩১, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক :  রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন।

বেসরকারি এই ফলাফলে ১৬টি ইউনিয়নের মধ্যে নয়টিতে আওয়ামী লীগ, তিনটিতে বিএনপি, একটিতে কমিউনিষ্ট পার্টি এবং বাকি তিনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।

ঘোষিত ফল অনুযায়ী, গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নে জয়ী হয়েছেন কমিউনিষ্ট পার্টির প্রার্থী বিজন কুমার সরকার। নরদাস ইউনিয়নে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী আবদুল মতিন। দ্বীপপুর ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী মখলেসুর রহমান দুলাল।

বড় বিহানালী ইউনিয়নে জয়লাভ করেছেন বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মিলন। আউচপাড়া ইউনিয়নে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরদার জান মোহাম্মদ। শ্রীপুর ইউনিয়নেও জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মকবুল হোসেন মৃধা।

অন্যদিকে বাসুপাড়া ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী আবদুল জব্বার। কাচারী কোয়ালীপাড়ায় জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের আয়েন উদ্দিন। শুভডাঙ্গা ইউনিয়নেও চেয়ারম্যান হয়েছেন আওয়ামী লীগের আবদুল হাকিম।

মাড়িয়া ইউনিয়নে জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের আসলাম আলী, গণিপুরে বিএনপির প্রার্থী মনিরুজ্জামান রঞ্জু। ঝিকড়া ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের আবদুল হামিদ। গোয়ালকান্দি ইউনিয়নেও জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আলমগীর সরকার।

অন্যদিকে হামিরকুৎসা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী আনোয়ার হোসেন। যোগিপাড়ায় ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের মোস্তফা কামাল। সোনাডাঙ্গা ইউনিয়নেও জয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের আজহারুল হক।

সোমবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের ১৪৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। আশঙ্কা থাকলেও এই নির্বাচনে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

গত ৭ মে উপজেলার এই ১৬টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে সহিংসতার আশঙ্কায় ভোট গ্রহণের দুদিন আগে ওই নির্বাচন স্থগিত করে দেয় নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে গত ২৫ সেপ্টেম্বর নতুন করে এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

স্থগিত হয়ে যাওয়া ওই নির্বাচন আবার অনুষ্ঠিত হওয়ায় স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ছিলেন দুই লাখ ৪২ হাজার ৫২৪ জন। এর মধ্যে এক লাখ ২০ হাজার ৪৩১ জন পুরুষ এবং এক লাখ ২২ হাজার ৯৩ জন নারী। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬৩ জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪৩৯ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

গত ৭ মে’র নির্বাচন স্থগিত করে দেয়া হলেও ওই দিন উপজেলার আউচপাড়া ইউনিয়নের হাটগাঙ্গোপাড়ায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। এতে চারজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে। তাই এবারের নির্বাচনকে ঘিরে কিছুটা উত্তেজনা বিরাজ করছিল। তবে এ জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নির্বাচনী মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চার হাজার ৬০০ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করেন।