আগস্ট ২০, ২০১৭ ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
Home / slide / ‘উল্টোপাল্টা কথা বলতে বলতে স্বাভাবিক হবে খাদিজা’

‘উল্টোপাল্টা কথা বলতে বলতে স্বাভাবিক হবে খাদিজা’

সাহেব-বাজার ডেস্ক : সিলেটে ছাত্রলীগ নেতার হামলায় আহত কলেজছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিস স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আগামী তিন মাস অপেক্ষা করতে হবে। খাদিজার সার্বিক অবস্থার বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে স্কয়ার হাসপাতালের চিকিৎসক নিউরো সার্জন ডা. রেজাউস সাত্তার এমন কথা জানান।

আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহ পরে খাদিজার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হবে। এরপর কি খাদিজার স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবে? জানতে চাইলে ডা. রেজাউস সাত্তার সোমবার বিকেলে বলেন, দুই সপ্তাহ পরে যে অপারেশন হবে। তার সাথে স্বাভাবিক জীবনযাপনের কোনো সম্পর্ক নেই। ২-৩ মাস পরে বোঝা যাবে স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারবে কিনা বা আদৌ হাঁটতে পারবে কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

তিনি বলেন, খাদিজা তরল খাবার খাচ্ছে। আর বাম পা অল্প নাড়াতে পারলেও হাত নাড়াতে পারছে না। তবে তার ডান পাশ স্বাভাবিক রয়েছে।

খাদিজাকে খুব দ্রুত বাসায় পাঠাতে চাই। আবার ২-৩ মাস পরে তাকে হাসপাতালে আনা হবে। তার পরিবারের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে দুই সপ্তাহ পরের অপারেশনের আগে খাদিজাকে বাসায় পাঠানো যায় কিনা। যোগ করেন ডা. রেজাউস সাত্তার।

এদিকে খাদিজার বাবা মাশুক মিয়া জানান, সে (খাদিজা) উল্টোপাল্টা কথা বলে। মাশুক মিয়ার এমন কথা জানালে ডা. রেজাউস সাত্তার বলেন, মাথার আঘাতের কারণে উল্টোপাল্টা কথা বলা স্বাভাবিক। এভাবে উল্টো কথা বলতে বলতে স্বাভাবিক হবে খাদিজা।

খাদিজা কীভাবে হাঁটাচলা করবে তা জানার জন্যও ৩ মাস অপেক্ষা করতে হবে। ডা. সাত্তার জানান, ৩ মাস পরই বলা যাবে খাদিজার হাঁটার জন্য ক্রাচ লাগবে নাকি হুইল চেয়ার।

গত ৩ অক্টোবর শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবি) ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক বদরুল আলম সিলেট এমসি কলেজের পুকুর পাড়ে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এ ঘটনার পর প্রথমে খাদিজাকে সিলেটে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ৪ অক্টোবর ভোরে ঢাকায় আনা হয়। ওই দিন দুপুরে স্কয়ার হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকরা তাকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখেন।

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

বাঘার পদ্মায় বাড়ছে পানি, আতঙ্কিত চরাঞ্চলবাসী

নুরুজ্জামান, বাঘা : দুই পাশে নদী। মাঝখানের উঁচু জায়গায় পানিবন্দী বাঘার লক্ষীনগর চরের প্রায় শতাধিক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *