Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রোহিঙ্গা সংকটের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দুষলেন সু চি– বিস্তারিত....
  • লক্ষ্মীপুরে ভাটা শ্রমিকের লাশ উদ্ধার– বিস্তারিত....
  • ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং হাসপাতালে– বিস্তারিত....
  • ফেসবুক ও টুইটারে শাহরুখের পারিবারিক ছবি– বিস্তারিত....
  • টি-টুয়েন্টিতে এক হাজার রানের রেকর্ড তামিমের– বিস্তারিত....

২৩৬৭ গেরিলার স্বীকৃতি: রায়ে স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ল

অক্টোবর ৩০, ২০১৬

সাহেব-বাজার ডেস্ক : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ন্যাপ, কমিউনিস্ট পার্টি, ছাত্র ইউনিয়ন সদস্যদের নিয়ে গঠিত বিশেষ গেরিলা বাহিনীর ২ হাজার ৩৬৭ জনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ আরো দুই সপ্তাহ বৃদ্ধি করেছেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ রবিবার (৩০ অক্টোবর) এই আদেশ দেয়।

এর আগে ওই রায় স্থগিতের আবেদন নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার আদালতে গেলে গত ৯ অক্টোবর আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি বিষয়টি ৩০ অক্টোবর শুনানির জন‌্য পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। ওই সময় পর্যন্ত হাই কোর্টের রায় স্থগিত রাখতে বলেন তিনি। সে অনুযায়ী বিষয়টি আপিল বিভাগের রবিবারের কার্যতালিকায় আসে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। হাইকোর্টে রিটকারীদের পক্ষে ছিলেন সৈয়দ আমিরুল ইসলাম ও সুব্রত চৌধুরী।

ঘটনার বিবরণীতে জানা যায়, ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি গেরিলা বাহিনী গঠন করে মুক্তি সংগ্রামে অংশ নেয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম) আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধুর কাছে অস্ত্রসমর্পণ করে ওই গেরিলা বাহিনীর সদস‌্যরা।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০১৩ সালের ২২ জুলাই ওই গেরিলা বাহিনীর দুই হাজার ৩৬৭ জনের নাম মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় যুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। কিন্তু পরের ব্ছর ২৯ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওই গেজেট বাতিল করে। সেখানে বলা হয়, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সভার সুপারিশ অনুসারে ‘ক্রুটিপূর্ণ’ গেজেটটি বাতিল করা হল।

গেজেট বাতিলের প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন ন্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়নের গেরিলা বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার ও ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য।

গত বছর ১৯ জানুয়ারি ওই আবেদনের প্রাথমিক শুনানি করে বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের বেঞ্চ গেজেট বাতিলের প্রজ্ঞাপনের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করে। সেই সঙ্গে রুল জারি করে জানতে চাওয়া হয়- ওই প্রজ্ঞাপন কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষরকারী উপসচিব ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের মহাপরিচালকের কাছে এর জবাব চাওয়া হয়।