Ad Space

তাৎক্ষণিক

  • রাসিকের বর্ধিত ট্যাক্স বাতিলের দাবিতে হরতালের ডাক– বিস্তারিত....
  • রোহিঙ্গা সংকটের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দুষলেন সু চি– বিস্তারিত....
  • লক্ষ্মীপুরে ভাটা শ্রমিকের লাশ উদ্ধার– বিস্তারিত....
  • ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী স্টিফেন হকিং হাসপাতালে– বিস্তারিত....
  • ফেসবুক ও টুইটারে শাহরুখের পারিবারিক ছবি– বিস্তারিত....

নিয়োগে আছেন, পাঠদানে নেই!

অক্টোবর ৩০, ২০১৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঘা : রাজশাহীর বাঘায় নিয়োগপ্রাপ্তির এক বছর পর কাগজে কলমে যোগদান দেখানো হলেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ দানে আসেন না এক শিক্ষক। উপজেলার মনিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক রাখি আক্তারকে গোপনে নিয়োগ দেওয়ার পর সম্প্রতি বেতন কাঠামো প্রস্তুত করতে গেলে এসব তথ্য বেরিয়ে আসে। নিয়োগপ্রাপ্ত ওই শিক্ষক স্কুল পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতির আত্মীয় বলে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, উপজেলার মনিগ্রাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি গোপনে নিয়োগ দেওয়া হয় রাখি আক্তার নামের এক শিক্ষককে। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বিদ্যালয়ের হাজিরা খাতায় তাকে যোগদান দেখানো হয়। তবে যোগদানের পর থেকে অদ্যাবদি ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ে পাঠদান দিতে আসেনি বলে উল্লেখ করেছেন প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক জানান, রাখি আক্তার নিয়োগপ্রাপ্তির পর এ পর্যন্ত বিদ্যালয়ে উপস্থিত না হলেও বেতন কাঠামোর যে প্রক্রিয়া প্রস্তুত করা হয়েছে তাতে তার নাম রয়েছে। খুব শীঘ্রই তার বেতন আসবে। আর বেতন এলে তবেই ওই শিক্ষক বিদ্যালয়ে যোগদান করবেন। অভিযোগ উঠেছে, রাখি আক্তার স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতা ও স্কুল পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতির আত্মীয় হওয়ায় প্রধান শিক্ষককে ম্যানেজ করে অতি গোপনে এই নিয়োগ সম্পূর্ণ করা হয়।

এ বিষয়ে রাখি আক্তার বিদ্যালয়ের অনুপস্থিত থাকার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমি যোগদানের পর থেকে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ শুনেছেন তা সঠিক নয়। স্কুলের হাজিরা খাতায় আমার স্বাক্ষর রয়েছে।

মনিগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারুল ইসলাম বাবুল দাবি করেছেন, রাখি আক্তারকে বিধি মোতাবেক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তিনি স্কুল পরিচালনা পরিষদের সাবেক সভাপতির আত্মীয় হওয়ায় ইতিপূর্বে কিছুটা অনিয়ম থাকলেও বর্তমানে নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হচ্ছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, আমি অন্য উপজেলায় কর্মরত ছিলাম। এখানে নতুন এসেছি এ বিষয়ে পূর্বের শিক্ষা অফিসার ভালো বলতে পারবেন।