ডিসেম্বর ১১, ২০১৭ ৯:১১ অপরাহ্ণ

Home / slide / গোদাগাড়ীতে এক সপ্তাহে ১২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস

গোদাগাড়ীতে এক সপ্তাহে ১২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোদাগাড়ী : রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পদ্মা নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রতিদিন উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে একাধিক দল উপজেলার সুলতানগঞ্জ, সারাংপুর, হাটপাড়া, বারুই পাড়া, রেলবাজার,  মাদারপুর, দেওয়ানপাড়া, মাটিকাটা, ভাটোপাড়া, হরিশংকরপুর, পিরিজপুর, বিদিরপুরসহ  বিভিন্ন এলাকায় পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভাবে ইলিশ মাছ ধরার সময় কারেন্ট জাল ও ধরা পড়া ইলিশ মাছ জব্দ করছে। ভ্রামমাণ আদালত অবৈধভাবে মাছ ধরার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি ও জরিমানা করছে।

এতে করে পদ্মা নদীতে মা ইলিশ ও  জাটকা ধরা বন্ধ হয়েছে। পদ্মা নদীতে সারা বছর মাছ ধরার সঙ্গে জড়িত জেলেরা জানান, ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত  নদীতে ইলিশ মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকে। কিছু  সংখ্যক জেলে নিষিদ্ধ অমান্য করে মা ইলিশ  ও জাটকা ধরতে  কারেন্ট জাল  ব্যবহার করে।

কিন্তু গত এক সপ্তাহ থেকে মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও ভ্রামমাণ আদালত নদীতে জোরালো অভিযান চালানোর কারণে কারেন্ট জাল দিয়ে ইলিশ মাছ ধরা প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এই জন্য হাট-বাজারে এখন ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে না।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা শামসুল করিম বলেন, জেলেদেরকে মা ইলিশ ও জাটকা  সম্পর্কে সচেতনমূলক সভা সমাবেশের পাশাপাশি হাট-বাজারে  নিষিদ্ধর মেয়াদ দিয়ে লিফলেট বিতরণ  ও বিভিন্ন স্থানে ফেস্টুন-ব্যানার লাগানো হয়েছে।

তিনি জানান, অভিযান চালিয়ে এই পর্যন্ত প্রায় ১২ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ধ্বংস ও ধরা পড়া ২ মণ ইলিশ মাছ জব্দ  করা হয়েছে। কারেন্ট জাল গুলিকে পুড়িয়ে নষ্ট ও উদ্ধারকৃত মাছ এতিম খানায় বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া ও ভ্রামমাণ আদালত  মাছ ধরার সঙ্গে জড়িত জেলেদের  জরিমনা ও শাস্তি  প্রদান করেছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ নেওয়াজ বলেন, নিষিদ্ধ থাকার সময়কালীন পদ্মা নদীতে দুটি ভ্রামমাণ আদালতের অভিযান অভ্যাহত থাকবে।

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

সমাজ পরিবর্তনের সংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি: বাদশা

তানোর প্রতিনিধি : বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *