ডিসেম্বর ১২, ২০১৭ ৪:৩০ অপরাহ্ণ

Home / slide / তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়ক সব গ্রামেই পৌঁছানো সম্ভব ।। ড. ল্যারি স্টিলম্যান
আপনার বিশ্ববিদ্যালয় এ প্রকল্প বাংলাদেশে বাস্তবায়নে আগ্রহী হলো কেন? ল্যারি স্টিলম্যান : প্রাথমিক সমীক্ষার ভিত্তিতে আমরা দেখেছি, বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে বিপুল সম্ভাবনাময়। একসময় এখানে দারিদ্র্য ছিল, দুর্যোগ ছিল; এখন দারিদ্র্য
আপনার বিশ্ববিদ্যালয় এ প্রকল্প বাংলাদেশে বাস্তবায়নে আগ্রহী হলো কেন? ল্যারি স্টিলম্যান : প্রাথমিক সমীক্ষার ভিত্তিতে আমরা দেখেছি, বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে বিপুল সম্ভাবনাময়। একসময় এখানে দারিদ্র্য ছিল, দুর্যোগ ছিল; এখন দারিদ্র্য কমছে, মধ্যবিত্ত শ্রেণী

তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়ক সব গ্রামেই পৌঁছানো সম্ভব ।। ড. ল্যারি স্টিলম্যান

অস্ট্রেলিয়ার মনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. ল্যারি স্টিলম্যান ওই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ২০০০ সাল থেকে যুক্ত। এর আগে ১৯৯৭ সাল থেকে তিনি অস্ট্রেলিয়ার প্রথম পাবলিক ইন্টারনেট সার্ভিস ভিসনেটের সামাজিক-প্রযুক্তি বিভাগে কাজ করেছেন। ১৯৯০ সাল থেকে তিনি কাজ করেছেন এথনিক কমিউনিটিস কাউন্সিল অব ভিক্টোরিয়ার কমনওয়েলথ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিভিউ কাউন্সিলে। মনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে তিনি ইউনিভার্সিটি অব সাউথ আফ্রিকায় অতিথি অধ্যাপক হিসেবে গবেষণা করেছেন এবং যুক্ত ছিলেন সেখানকার ডিজিটাল ডোরওয়ে প্রকল্পে। বাংলাদেশে তিনি অক্সফাম ও মনাশের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন ‘প্রতীক’ প্রকল্পে শীর্ষ গবেষক হিসেবে এখন দায়িত্ব পালন করছেন। ল্যারি ২০০৬ সালে মনাশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রযুক্তির সামাজিকীকরণ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন। এর আগে তিনি অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। তার সম্পাদিত সর্বসাম্প্রতিক বই ‘সোস্যাল থিওরি ফর কমিউনিটি অ্যান্ড সোস্যাল ইনফরমেটিক্স’ (২০১৪)।

আমরা জানি, বাংলাদেশে আপনি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি সক্ষমতা বিষয়ক একটি প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছেন মনাশ ইউনিভার্সিটির পক্ষেএর মাধ্যমে আপনারা কী অর্জন করতে চান?

ল্যারি স্টিলম্যান  :  আপনাকে যদি সংক্ষেপে বলিথ মোটামুটি দীর্ঘমেয়াদি ও বড় আকারের এ প্রকল্পের লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশের উন্নয়ন সংস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিভিন্ন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর একটি অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠা করা। আর এই অংশীদারিত্বের ভিত্তি হবে সদ্য, সঠিক, সমন্বিত, নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ এবং তা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আস্থাপূর্ণ উপায়ে, সহজবোধ্য করে কাজে লাগানো। তাদের মধ্যেও তথ্য সংগ্রহ ও সরবরাহের দক্ষতা তৈরি করা। তারা যাতে করে সে তথ্য তাদের দৈনিন্দিন কাজে যেমন কৃষি উৎপাদন বা দুর্যোগ মোকাবেলায় কাজে লাগাতে পারে, এমনকি তথ্য সরবরাহ করে আয় করতে পারেথ তার ব্যবস্থা করা।

আপনার বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প বাংলাদেশে বাস্তবায়নে আগ্রহী হলো কেন?

ল্যারি স্টিলম্যান : প্রাথমিক সমীক্ষার ভিত্তিতে আমরা দেখেছি, বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতে বিপুল সম্ভাবনাময়। একসময় এখানে দারিদ্র্য ছিল, দুর্যোগ ছিল; এখন দারিদ্র্য কমছে, মধ্যবিত্ত শ্রেণী দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। তারা সব ধরনের চ্যালেঞ্জ নিতে চায়। এখানকার নেতৃত্বও চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করে। বস্তুত বাংলাদেশকে আমাদের কাছে মনে হয়ে খুবই প্রাণবন্ত একটি সমাজ। এখানকার সমাজ, অর্থনীতি দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। ইতিমধ্যে আপনারা নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে উন্নীত হয়েছেন। চলমান পরিবর্তনের সঙ্গে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সক্ষমতা যুক্ত হলে এ পরিবর্তন খুবই শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে বাংলাদেশের উন্নয়নে। বিশেষ করে মোবাইল ফোন এ ক্ষেত্রে একটি বড় ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশে যে ধরনের মোবাইল ফোনসেট ব্যবহৃত হয়, যে ধরনের উচ্চমানের নেটওয়ার্ক রয়েছে, তা আপনি উন্নয়নশীল অনেক দেশেও পাবেন না। এখানকার নারী ও শিশুরাও যেভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহারে সক্ষম হয়ে উঠছে, তা আপনি দক্ষিণ এশিয়ারও অনেক দেশে দেখতে পাবেন না। আমি দেখেছি, অস্ট্রেলিয়ার মতো উন্নত দেশের সাধারণ নাগরিকরা যেভাবে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে, এখানকার সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও রয়েছে তেমনই আগ্রহ ও দক্ষতা।

আমরা মোবাইল ফোন সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তির সম্প্রসারণও দেখছিআপনি জানেন, ইউনিয়ন পর্যায়ে আইসিটি সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়েছেগ্রামাঞ্চলেও এখন তরুণ-তরুণীরা ব্যাপক মাত্রায় ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছেএমনকি অনেক কৃষকও তাদের দৈনন্দিন কাজে তথ্যপ্রযুক্তি কাজে লাগাচ্ছেআপনারা কি নতুন কোনো মাত্রা যুক্ত করতে চান?

ল্যারি স্টিলম্যান  :  আমরা যে পদ্ধতিতে কাজ করছি, সেটা কিন্তু এক অর্থে বাংলাদেশে নতুন নয়। এখানে এর নাম ‘গণগবেষণা’। আপনাদের এখানকার খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ ড. আনিসুর রহমান আশি ও নব্বইয়ের দশকে এ ব্যাপারে কাজ করেছেন। তার একটি বইও রয়েছে। ঢাকার নিউমার্কেটে গিয়ে আমি বইটি পেয়েছিলাম অনেক বইয়ের স্তূপের একেবারে নিচে। বিক্রেতা আমাকে জানিয়েছিলেন, সেটাই ছিল তার দোকানের শেষ কপি। আমরা প্রথমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে গিয়ে এ গবেষণা পদ্ধতিতেই জানতে চাইছি, তাদের প্রয়োজনগুলো কী, তারা কী ধরনের তথ্যের প্রয়োজন অনুভব করে, তারা কী ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার জানে, কীভাবে তথ্য সংগ্রহ করে, কীভাবে তথ্যপ্রযুক্তি তাদের কাজে লাগতে পারে। আমরা অবাক হয়েছি যে, প্রত্যন্ত অঞ্চলেও গ্রামবাসী এমনকি নারীরাও মোবাইলের ব্যবহার জানে। তারা লেখাপড়া জানে না কিন্তু নম্বর টিপে ফোন করতে পারে। রংপুর অঞ্চলের একটি গ্রামে আমি যখন নারীদের ট্যাব দেখিয়েছি, তারা নতুন প্রযুক্তিটি ব্যবহারে ভীত হয়নি। বরং বলেছে যে, সন্তানের কাছে শিখে নিয়ে তারা এটা ব্যবহার করতে পারবে। বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির যে সম্প্রসারণ হয়েছে বা এখনও চলছে, সেটা অনেকটা একমুখী। দেশীয় বা বিদেশি উদ্যোক্তারা একটি প্রযুক্তি পরিচিত করাচ্ছেন, অন্যরা তাতে অভ্যস্ত হয়ে উঠছে। আমরা চাই, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের বোধগম্য ও ব্যবহারযোগ্য ডিভাইস ও সিস্টেম গড়ে তুলতে। আমরা তথ্য গ্রাহক নয়, তথ্য-শিক্ষিত ও তথ্য-সক্ষম জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে চাই।

এর বাস্তবায়ন হবে কীভাবে?

ল্যারি স্টিলম্যান  :  আমরা প্রাথমিকভাবে কোনো একটি গ্রামের একজন তরুণ বা তরুণীকে স্থানীয় বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ, সেগুলো অন্যদের ব্যবহার উপযোগী করে তোলা এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সরবরাহ করার জন্য উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেব। তারপর তার গ্রাম বা সম্প্রদায়ের মানুষ সে তথ্য ব্যবহা করবে। এ জন্য তারা নামমাত্র অর্থও প্রদান করবে। তথ্য সংগ্রহ, তা প্রক্রিয়া ও সরবরাহ করতে যে প্রযুক্তি প্রয়োজন হয়, যেমন উন্নত ট্যাব, প্রিন্টার, মোবাইল ফোন আমরা কিনে দেব। কারণ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে অনেকের এসব ব্যবহারের আগ্রহ ও সম্ভাব্য দক্ষতা থাকলেও তাদের সেগুলো কেনার মতো অর্থ নেই। এটা হবে একধরনের ‘কমিউনিটি বেজড ইনফো বিজনেস’। এখানে গ্রাহকরা কেবল তথ্য-ক্ষুধা মেটাবে না, সে তথ্য তার জীবন ও জীবিকাতে কাজেও লাগাবে।

আমাদের দেশের সন্তান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উদ্ভাবিত সামাজিক ব্যবসার ধারণা এখন বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হচ্ছেআপনাদের কমিউনিটি বেজড ইনফো বিজনেসের সঙ্গে সেটার মিল রয়েছে

ল্যারি স্টিলম্যান  :  তা বলতে পারেন। এই তথ্যের ব্যবসায় গোটা জনগোষ্ঠী লাভবান হবে। তারা তথ্য পেয়ে ও তা ব্যবহার করে যখন অর্থনৈতিক উন্নয়ন করবে, তখন সে তথ্য সংগ্রহে অর্থ ব্যয় করতে দ্বিধা করবে না। আর তার মাধ্যমে ওই জনগোষ্ঠীরই কিছু তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান হবে।

এখনও তো আমরা দেখি কৃষিবিষয়ক, দুর্যোগবিষয়ক তথ্য সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরবরাহ করে থাকে

ল্যারি স্টিলম্যান  :  এখনকার তথ্য সংগ্রহ করা হবে কমিউনিটির মধ্য থেকে। এগুলোর একটি ডাটাবেজ থাকবে। তৈরি হবে বিভিন্ন বিষয়ে অ্যাপস। সেগুলো সহজেই নামিয়ে নেওয়া যাবে স্মার্ট ফোনে বা ট্যাবের মাধ্যমে। সে তথ্য ব্যাখ্যা করার জন্য আমরা ওই গ্রামে একজন তরুণ বা তরুণীকে প্রশিক্ষণ দেব। তার কাছেই থাকবে ট্যাবসহ অন্যান্য ডিভাইস। তিনিই ব্যাখ্যা করবেন ও প্রয়োজনমতো তথ্য সরবরাহ ও সংগ্রহ করবেন। এই ডাটাবেজ থেকে পাওয়া তথ্যের বিশেষত্ব হবে এটা সহজবোধ্য, গ্রামের মানুষ বুঝতে পারবে। যারা লেখাপড়া জানেন না, তারাও বুঝতে পারবেন। কারণ তথ্যগুলো কেবল অক্ষর ও বাক্যের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হবে না; বরং চিত্র ও চিহ্নের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হবে। ভয়েস রেকর্ড থাকবে, যাতে করে সরাসরি কানে শুনে বুঝতে পারেন। ইংরেজি নয়, বাংলা ভাষায় থাকবে সেই ভয়েস।

এটা কি সিটিজেন জার্নালিজমের মতো কোনো ধারণা?

ল্যারি স্টিলম্যান : তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে আপনি বলতে পারেন। কিন্তু তথ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে নয়। এটাকে বরং সিটিজেন সায়েন্স বলতে পারেন। এখানে লোকায়ত উপায়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ করা হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বোধগম্য করে। আবার সেই তথ্যের যথার্থতা নিয়েও কোনো প্রশ্ন থাকবে না। সেই তথ্য দৈনন্দিন জীবনে ও জীবিকার ক্ষেত্রে ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কোনো দ্বিধা থাকবে না। তার প্রয়োজনমতো, তার উপযোগী ভাষায়, তার মতো করে ব্যবহার করা যাবে। এ জন্য আমরা বিভিন্ন অ্যাপস তৈরি করব, যাতে করে অতি সহজে তিনি প্রয়োজনমাফিক অ্যাপস ডাউনলোড ও ব্যবহার করতে পারেন।

এতে করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন জীবিকা কতটা পরিবর্তন হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?

ল্যারি স্টিলম্যান : আমরা অনেকটা আত্মবিশ্বাসী। দক্ষিণ আফ্রিকায় আমরা এর আগে ‘ডিজিটাল ডোরওয়ে’ নামে একটি প্রকল্প সাফল্যের সঙ্গে বাস্তবায়ন করেছি। সৌরশক্তিচালিত ও সহজে স্থানান্তরযোগ্য কম্পিউটার ল্যাবের মাধ্যমে তারা তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধা কাজে লাগাচ্ছে। এতে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে সেখানকার সমাজ ও অর্থনীতিতে। বাংলাদেশে এটা কাজে লাগানো আরও বেশি সম্ভব।

আমাদের এখানেও প্রত্যন্ত অঞ্চলে গার্হস্থ্য কাজে সৌরশক্তির ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছেএখন সেচ পাম্পের কাজে মিনি গ্রিড তৈরিতেও ব্যবহৃত হচ্ছে সৌরশক্তিআপনাদের এই তথ্যপ্রযুক্তির ডাটাবেজ কি কেবল কৃষি দুর্যোগে কাজে লাগবে?

ল্যারি স্টিলম্যান  :  জীবন-জীবিকা সম্পর্কিত যে কোনো কাজে লাগানো সম্ভব। যেমন স্বাস্থ্যসেবায় অনেক কাজে লাগবে। রংপুর থেকে যানজট পাড়ি দিয়ে ঢাকায় এসে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার বদলে স্কাইপের মাধ্যমে ঘরে বসেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারবে। এতে করে সময় ও অর্থ বেঁচে যাবে অনেক। মহানগরের যে সুবিধা, তা চাইলেই আপনি গ্রামে দিতে পারেন না। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সেটার অনেক সুবিধা পৌঁছে দিতে পারেন। আপনি চাইলেই গ্রামাঞ্চলে মহাসড়ক নিয়ে যেতে পারেন না; কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়ক গ্রামে গ্রামে পৌঁছে দিতে পারেন।

এত ব্যস্ততার মধ্যেও সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ

ল্যারি স্টিলম্যান  :  আপনাকেও ধন্যবাদ। পাঠকদের জন্য শুভেচ্ছা।

সাক্ষাৎকার গ্রহণ : শেখ রোকন

সূত্র : সমকাল

Print Friendly, PDF & Email

Check Also

চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সাহেব-বাজার ডেস্ক : ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী দেশের চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করেন। আজ রবিবার সকালে গণভবনে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *