বিকাল ৪:০০ সোমবার ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৯


হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে আসছে শীত

নিউজ ডেস্ক | সাহেব-বাজার২৪.কম
আপডেট : নভেম্বর ২২, ২০১৯ , ১০:২৮ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : পরিবেশ,শীর্ষ খবর
পোস্টটি শেয়ার করুন

সাহেব-বাজার ডেস্ক : সকালে ঝলমলে মিঠে রোদ। ভরদুপুরেও সে রোদে তেজ নেই। আকাশে হালকা কুয়াশা। বাতাসে হিমের গুঞ্জন। সে গুঞ্জনে শীতের আগমনী গান। হেমন্তের সকালে আজ এভাবেই হামাগুড়ি দিয়েছে শীত।

আজ ২২ নভেম্বর শুক্রবার সকাল থেকে বেলা একটা পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার আবহাওয়া এমনই শুষ্ক ছিল। শুষ্ক আবহাওয়ার সঙ্গে খানিকটা শীতের অনুভূতিও পেয়েছে নগরবাসী। ভোর ছয়টায় ঢাকার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ইট-পাথরে গড়া রাজধানী ঢাকার চেয়ে দেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা আরও কম। আজ সারা দেশে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়ায়—১৩ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়াবিদেরা জানান, তাপমাত্রা আগামী কয়েক দিনে একটু একটু করে কমতে থাকবে।

মধ্য নভেম্বর থেকেই তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে সারা দেশে। গত বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নওগাঁর বদলগাছীতে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর রাজধানী ঢাকায় ছিল ১৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সবচেয়ে কম তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ১৪ আর রাজধানীতে ছিল ১৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকার তাপমাত্রা খানিকটা বেড়ে ১৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও সারা দেশেই তা কমেছে।

আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বলেন, ঢাকায় শীত খুব একটা অনুভূত না হলেও গ্রামাঞ্চলে কিন্তু লেপ-কাঁথার ব্যবহার শুরু হয়ে গেছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে শীত বেশ ভালো পড়েছে। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তাপমাত্রা খুব দ্রুত কমবে না।

রাজধানীতে শীত কম পড়ার কারণ সম্পর্কে আরিফ হোসেন বলেন, ঢাকায় আর্টিফিশিয়াল স্ট্রাকচার বেশি। গাছপালা সে তুলনায় বেশ কম। তাই শীতের অনুভূতিও কম এখানে। ডিসেম্বর বা জানুয়ারির দিকে উত্তরের শীতল বাতাস বয়ে এলে হয়তো ঢাকার তাপমাত্রা কমতে পারে।

সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়, সারা দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা ও শুষ্ক থাকবে। কোথাও কোথাও হালকা কুয়াশা পড়বে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

বিভাগীয় শহরগুলোর মধ্যে আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ময়মনসিংহে ১৮, চট্টগ্রামে ১৮ দশমিক ৯, সিলেটে ১৭ দশমিক ২, রাজশাহীতে ১৫ দশমিক ৫, রংপুরে ১৭, খুলনায় ১৯ এবং বরিশালে ১৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

এসবি/জেআর