বিকাল ৪:৪০ মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর, ২০১৯


সাংবাদিক শিমুল হত্যা মামলার চার্জ গঠন পঞ্চমবারের মতো পেছাল

নিউজ ডেস্ক | সাহেব-বাজার২৪.কম
আপডেট : November 21, 2019 , 8:05 pm
ক্যাটাগরি : রাজশাহীর সংবাদ
পোস্টটি শেয়ার করুন

সাহেব-বাজার ডেস্ক : সমকালের শাহজাদপুর প্রতিনিধি আব্দুল হাকিম শিমুল হত্যা মামলার চার্জ গঠনের দিন আরও এক সপ্তাহ পিছিয়েছে। এই নিয়ে পঞ্চমবারের মতো পেছাল এই মামলার চার্জগঠনের দিন। মামলার প্রধান আসামি শাহজাদপুর পৌরসভার মেয়র হালিমুল হক মিরু চোখের সমস্যা নিয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন আছেন উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সাত দিনের সময় প্রার্থনা করেন। এসময় আদালত সাতদিন পর আদালতে মিরুকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

এর আগে আসামিপক্ষের আবেদনে চার দফা চার্জ গঠনের দিন পেছান আদালত। পরে আসামিপক্ষ উচ্চ আদালত থেকে এই মামলা ৬ মাসের জন্য স্থগিতাদেশ নিয়ে আসেন। পরে সাংবাদিক শিমুলের পক্ষে ওই আদেশের বিরুদ্ধে পাল্টা রিট করা হয়। এরপর উচ্চ আদালত মামলাটি চলতে কোনো বাধা নেই মর্মে আদেশ দিলে বৃহস্পতিবার চার্জ গঠনের দিন ধার্য হয়।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এন্তাজুল হক বাবু জানান, বৃহস্পতিবার পঞ্চমবারের মতো অভিযোগ গঠনের দিন ছিলো। মামলায় ৩৮ জন আসামির মধ্যে এদিন উপস্থিত হন ৩৬ জন। এর আগে বন্দি আসামি মিরু রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জামিন আবেদন করলে উচ্চ আদালত থেকে গত ১৭ নভেম্বর তার জামিন হয়। পরে তিনি জামিনে বের হয়ে ঢাকায় চক্ষু বিশেষজ্ঞ হাসপাতালে যান। ওই চিকিৎসার কাগজপত্র এনে আসামিপক্ষ আদালতে হাজির করে। একজন আসামি অনুপস্থিত থাকলে চার্জগঠন হয় না। পরে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক অনুপ কুমার আগামী ২৮ নভেম্বর আসামি মিরুকে আদালতে হাজির হওয়ার আদেশ দেন।

আইনজীবি বাবু বলেন, বারবার চার্জগঠনের দিন পেছানোর আবেদন করে মামলাটির বিচার কাজ দীর্ঘমেয়াদে নিয়ে যাচ্ছে আসামিপক্ষ। এভাবে চলতে পারে না। কিন্তু তারা বারবার অপকৌশলের আশ্রয় নিয়ে মামলাটির বিচার বিলম্বিত করছে।

২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুর পৌরসভার মেয়র হালিমুল হক মিরুর বাড়িতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে হয়। ওই সংঘর্ষে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আওয়ামী লীগ নেতা মেয়র মিরুর হাতে থাকা রাইফেল থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হন সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল। পরদিন হাসপাতালে মারা যান তিনি।

এ ঘটনায় মিরু ও তার ভাই হাবিবুল হক মিন্টুসহ ৪০ জনকে আসামি করে শাহজাদপুর থানায় মামলা করেন নিহত শিমুলের স্ত্রী নুরুন্নাহার খাতুন। মামলা দায়েরের ৩ মাস পর ২০১৭ সালের ২ মে শাহজাদপুর আমলি আদালতে ৩৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। চার্জশিটে বলা হয়, মেয়র মিরুর গুলিতেই শিমুলের মৃত্যু হয়েছে।

এসবি/জেআর