রাত ১:২০ বৃহস্পতিবার ২১ নভেম্বর, ২০১৯


শিবালয়ে মিরপুর ট্রাজেডি দিবস

নিউজ ডেস্ক | সাহেব-বাজার২৪.কম
আপডেট : December 10, 2017 , 4:56 pm
ক্যাটাগরি : রাজশাহীর সংবাদ
পোস্টটি শেয়ার করুন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:মহান মুক্তিযুদ্ধে জয়লাভের মাত্র ছয় দিন আগে মুক্তি বাহিনীর অন্যতম ঘাঁটি মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার মিরপুর গ্রামে পাকবাহিনী ও তাদের দোসররা অর্ধশত বাড়ি-ঘর আগুনে পুড়িয়ে দেয়।  এদের ছোড়া বোমা ও গুলিতে বৃদ্ধ কোঁকারাম মন্ডল ঘটনাস্থেেলই প্রাণ হারান।  এ ছাড়া,নারী-শিশুসহ আহত হন অনেকে।  ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক কমান্ডার মনসুর আলীর নেতৃত্বে একদল মুক্তিবাহিনী মিরপুর গ্রামে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আরিচা ঘাটে অবস্থানরত পাকবাহিনী ও দোসরদের ক্যাম্পে আক্রমনের প্রস্ততি নেন।
এমন খবরে পাকসেনা ও দোসররা মিরপুর গ্রামে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক উথলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেনের বাড়িসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামের বহু বাড়িঘর আগুনে জ্বালিয়ে দেয়।  আগুন দিয়ে ফেরার পথে পাকসেনাদের গুলি ও বর্বোচিত হামলায় বৃদ্ধ কোঁকারাম মারা যান। এ গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মহীউদ্দীন জানান,মুক্তিযোদ্ধা ও জনতার প্রবল প্রতিরোধের মুখে পাকসেনা ও রাজাকাররা সেদিন পিছু হটলে গোটা এলাকা হানাদার মুক্ত হয়।  এ ঘটনা স্মরণে ‘মিরপুর ট্র্যাজেডি’ দিবস হিসেবে এলাকাবাসী নানা কর্মসূচি পালন করে আসছে।  সরকারিভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে কোনো স্মৃতিস্তম্ভ বা স্মৃতিফলক করা হয়নি।
স্থানীয় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক মফিজ উদ্দিন জানান,বর্তমান প্রজন্মকে এলাকার গৌরবময় মুক্তিযোদ্ধাদের ইতিহাস জানার জন্য মিরপুরে সরকারিভাবে একটি মুক্তিযোদ্ধা লাইব্রেরি গড়ে তোলা অত্যান্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহতদের সরকারিভাবে একটি তালিকা করে স্মৃতিফলক নির্মাণ করতে হবে। ’