সকাল ৯:১৮ বৃহস্পতিবার ১৭ অক্টোবর, ২০১৯


পূজাদের দুর্গোৎসব

নিউজ ডেস্ক | সাহেব-বাজার২৪.কম
আপডেট : অক্টোবর ৬, ২০১৯ , ৭:৫৬ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : বিনোদন
পোস্টটি শেয়ার করুন

শারদীয় দুর্গাপূজা। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব। ইতোমধ্যে পূজা নিয়ে নানা রঙে মেতে উঠেছে বিভিন্ন মণ্ডপ। অন্যদিকে কণ্ঠশিল্পী বাঁধন সরকার পূজা, নৃত্যশিল্পী পূজা সেনগুপ্ত বা নায়িকা পূজা চেরী; যাদের নামের সঙ্গে ‘পূজা’ শব্দটি যুক্ত। এবারের পুজোয় আমাদের শোবিজের পূজারা কী করছেন সেই খবর নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এই ফিচারের মাধ্যমে-

চিত্রনায়িকা পূজা

পূজা এলে অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করে। সারাক্ষণ আনন্দে থাকি। কখন কী করব, ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত কোন কোন মণ্ডপে ঘুরে বেড়াব; এমন পরিকল্পনা মাথার মধ্যে চলতেই থাকে।

আর পূজায় শপিং করতে খুব ভালো লাগে। এবারও অনেক শপিং করেছি। সবার সঙ্গে হুল্লোড় করে বেড়াচ্ছি।
আমার বেড়ে ওঠা ঢাকার হাজারীবাগে। ছোটবেলায় তাঁতীবাজার, শাঁখারিবাজারসহ পুরান ঢাকার অনেক মন্দিরে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ঘুরে ঘুরে পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করেছি। এবার হয়তো সেটা করা হবে না।

তবে মণ্ডপে মণ্ডপে যাচ্ছি। শিগগিরই ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যাবো। এছাড়া বনানী পূজামণ্ডপেও যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে।

নৃত্যশিল্পী পূজা

পূজা তো ভীষণ আনন্দ নিয়ে আসে। আর মাত্রই ‘হো চে মিন’ প্রডাকশন শেষ করলাম। কিছুদিন পর আমাদের নতুন প্রডাকশন আসবে। তাই এই পূজাটা সবাই বেশ রিল্যাক্সভাবে পার করছি। অন্যকিছু না, শুধু পূজার আনন্দ নিয়ে আছি। গতকাল (৫ অক্টোবর) বারিধারা ডিওএইচএস, বসুন্ধরা, উত্তরার মণ্ডপগুলোতে ঘুরেছি। এরপর আজ/কালকের মধ্যে পুরান ঢাকার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করব। ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যাব।

আমাদের এখানে পূজা মণ্ডপ এখনও শিল্প হিসেবে সামনে আসতে পারেনি। আমার পড়াশোনাটা ছিল রবীন্দ্রভারতীতে। বিশেষ করে কলকাতায় এটাকে খুব মূল্যায়ন করে। যারা মণ্ডপ তৈরি করেন তাদের পূজা শিল্পী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সম্মান করা হয়।

আমাদের এখানে সেই কালচারটি এখনও গড়ে ওঠেনি। তাদের ওখানে কিন্তু পূজাটা শুধু মণ্ডপেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এটা ছড়িয়ে পড়ে পুরো শহরে। ২০১৩ সালে রবীন্দ্র ভারতীর বন্ধুদের নিয়ে গঙ্গায় গিয়েছিলাম।

দশমীর দিন লঞ্চে করে ঘুরে দেখেছিলাম। একের পর এক প্রতিমা বিসর্জন, লোকজনের নানা আয়োজন। কত ধরনের যে প্রতিমা, তা বলে বোঝানো যাবে না। পূজা নিয়ে অন্যতম স্মরণীয় দিন ছিল এটা।

কণ্ঠশিল্পী পূজা

২০১০ সালের ঘটনা। সেরাকণ্ঠ প্রতিযোগিতার জন্য লোকজন তখন আমাকে চেনেন। খামারবাড়ির পূজা মণ্ডপে সাংস্কৃতিক আয়োজনে গান গেয়ে নিচে নেমেছি। ওমনি এক লোক আমার দিকে এগিয়ে আসেন। হাতে কিছু বাতাসা দিয়ে বলেন, ‘এটা তোমার জন্য এনেছি। তোমার গান খুবই সুন্দর। ঘটনাটি আমার খুব ভালো লেগেছে।’

এখনও পূজার কোনও মণ্ডপে গাইতে গেলে ঐ ভদ্রলোকের কথা মনে পড়ে। বা পূজা মণ্ডপে গেলেও তা মনে পড়ে।

গতকাল (৫ অক্টোবর) নারায়ণগঞ্জের মণ্ডপে গিয়েছিলাম। তখনও মনে পড়েছিল। আর এবার বোধহয় শ্বশুর বাড়ি চট্টগ্রাম যাওয়া হবে না। কারণ অন্তুর (স্বামী মডেল অর্ণব অন্তু) একটা শুটিং আছে। তাই ঢাকায় বিভিন্ন মণ্ডপে ঘুরে বেড়াব।
আজ অথবা আগামীকাল ঢাকেশ্বরী মন্দিরে যাব। সেখানে না গেলে কেমন যেন অপূর্ণতা থেকে যায়।

এসবি/জেআর