সকাল ৯:২১ মঙ্গলবার ২১ জানুয়ারি, ২০২০


পশ্চিমবঙ্গে রাষ্ট্রপতির শাসন চায় বিজেপি

নিউজ ডেস্ক | সাহেব-বাজার২৪.কম
আপডেট : ডিসেম্বর ১৬, ২০১৯ , ১২:৪৯ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : বিদেশ
পোস্টটি শেয়ার করুন

সাহেব-বাজার ডেস্ক : ভারতে বিতর্কিত নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (এনআরসি) আইনে পরিণত হয়েছে। এর প্রতিবাদে আসামের পর ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্য। চলমান বিক্ষোভ দমনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে বাঙালি অধ্যুষিত রাজ্যটিতে রাষ্ট্রপতির শাসন চাইবে ক্ষমতাসীন বিজেপি। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) এমনটাই জানিয়েছেন দলের জাতীয় সচিব রাহুল সিনহা।

এক টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘বিজেপি সরকার কখনোই রাষ্ট্রপতি শাসনকে সমর্থন করে না। তবে পশ্চিমবঙ্গে যদি এ ধরনের অরাজকতা অব্যাহত থাকে, তাহলে রাষ্ট্রপতির শাসন চাওয়া ছাড়া আমাদের বিকল্প কোনো পথ থাকবে না।’

বিজেপির জাতীয় সচিব আরও বলেন, ‘আজ গোটা রাজ্য যখন জ্বলছে তখন তৃণমূল সরকার নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। যা কখনোই মেনে নেওয়া হবে না।’

চলমান বিক্ষোভের জন্য মমতাকে দায়ী করে বিজেপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘তার (মমতা) কারণেই আজ রাজ্যটিতে এমন সংকটময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। হিংসাত্মক ও অরাজক পরিস্থিতি তৈরির জন্য একমাত্র মুখ্যমন্ত্রীই দায়ী।’

পশ্চিমবঙ্গের বিক্ষোভে বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের হাত রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। রাহুল সিনহার ভাষায়, ‘বাংলার মুসলিম সম্প্রদায়ের সতর্ক হওয়া উচিত যে তাদের নাম দাঙ্গাবাজরা যেন কোনোদিন কলঙ্কিত না করে।’

এর আগে সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ভারতের লোকসভায় বহুল আলোচিত নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাস হয়। বিলটিতে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা অমুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পার্লামেন্টে বিলটি উত্থাপন করেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এরপর বুধবার (১১ ডিসেম্বর) রাজ্যসভায় পাস হয় বিলটি। রাজ্যসভায় এই বিলের পক্ষে ভোট পড়েছে ১২৫টি। আর বিপক্ষে পড়েছে ১০৫টি ভোট। যার প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার রাতে বিতর্কিত এই বিলটি রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের মাধ্যমে আইনে পরিণত করা হয়।