রাত ৮:০৪ মঙ্গলবার ১৯ নভেম্বর, ২০১৯


নির্ধারিত দিনের আগেই পরীক্ষা, সুপারসহ দু’শিক্ষককে মারপিট

নিউজ ডেস্ক | সাহেব-বাজার২৪.কম
আপডেট : December 10, 2017 , 4:37 pm
ক্যাটাগরি : রাজশাহীর সংবাদ
পোস্টটি শেয়ার করুন

যশোরের মনিরামপুরে মাদ্রাসা সুপার ও এক সহকারী শিক্ষককে অভিভাবক ও গ্রামবাসী মিলে মারপিট করেছে। এক শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে না পারার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোববার দুপুরে মনিরামপুরের বাসুদেবপুর সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত মাদ্রাসা সুপার হারুণ-অর-রশিদ ও সহকারী শিক্ষক বরেন্দ্র কৃষ্ণ অধিকারীকে এদিন বিকালে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এলাকাবাসী ও শিক্ষককের ভাষ্য মতে, বাসুদেবপুর সিদ্দিকীয়া দাখিল মাদ্রাসায় এখন চলছে বার্ষিক পরীক্ষা। নবম শ্রেণির শারীরিক শিক্ষা পরীক্ষা নেওয়ার নির্ধারিত দিন ছিল ১০ ডিসেম্বর। কিন্তু ওই পরীক্ষা ২৮ নভেম্বর সম্পন্ন হয়েছে। এতে শাহারিয়ার নামে এক শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি। শাহারিয়ার ১০ ডিসেম্বর পরীক্ষার দিন ধরে পরীক্ষা দিতে মাদ্রাসায় আসেন। তখন সে জানতে পারে শারীরিক শিক্ষা পরীক্ষা ২৮ নভেম্বর সম্পন্ন হয়েছে। এরপর সে তার অভিভাবককে বিষয়টি জানায়।

স্থানীয় সূত্র মতে, পরীক্ষা দিতে না পারা শিক্ষার্থীর বাড়ি মাদ্রাসার কাছাকাছি। ফলে তার অভিভাবক ও স্বজনরা খবর শুনে মাদ্রাসার এসে সুপারের কাছে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এসময় গ্রামের অনেকে মাদ্রাসায় হাজির হয়। এক পর্যায়ে সুপার হারুণ-অর-রশিদ ও সহকারী শিক্ষক বরেন্দ্র কৃষ্ণ অধিকারীকে গ্রামবাসী মারপিট করে মাদ্রাসার রুমের মধ্যে আটকে রাখে। পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হারুণ-অর-রশিদ ও বরেন্দ্র কৃষ্ণ অধিকারী জানিয়েছেন, শিক্ষার্থী শাহারিয়ার পরীক্ষা দিতে না পারলে তার অভিভাবক ও গ্রামবাসী এসে মারপিট করে মাদ্রাসায় আটকে রাখেন।

মনিরামপুর থানার ওসি মোকাররম হোসেন জানান, শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে না পারলে তার অভিভাবকরা মাদ্রাসায় গিয়ে ঝামেলা করেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।