সকাল ৯:১৯ মঙ্গলবার ২১ জানুয়ারি, ২০২০


টানা ৪ দিন একই গতিতে চলছে শেয়ার বাজার

নিউজ ডেস্ক | সাহেব-বাজার২৪.কম
আপডেট : জানুয়ারি ৯, ২০২০ , ২:৪৩ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : শিল্প ও বাণিজ্য
পোস্টটি শেয়ার করুন

সাহেব-বাজার ডেস্ক : পুঁজিবাজার এ সপ্তাহে বড় ধরনের পতনের কবলে। সপ্তাহের ৪ কার্যদিবসের পতনের হার একই রকম ছিল। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রবিবার (৫ জানুয়ারি) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৯ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন হয়েছে ৩৭৫ কোটি টাকা।

এরপরের দিন সোমবার (৬ জানুয়ারি) ৬৮ পয়েন্ট কমে ৩৭৫ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। মঙ্গলবার ৫০ পয়েন্ট কমে ৩২৭ কোটি টাকা ও গতকাল (বুধবার) ৫৩ পয়েন্ট কমে ২৮০ কোটি টাকায় লেনদেন নেমে এসেছে। এই ৪ দিনে মোট সূচন নামল ২৩০ পয়েন্ট।

২০১০ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে যে ধস হয়েছিল, তাতেও গড় লেনদেন ২০০ বা ৩০০ কোটিতে নামেনি। অথচ এ বছরে ডিএসইর লেনদেন ২০০ থেকে ৩০০ কোটির ঘরেই ঘুরপাক খাচ্ছে। গত ১০ বছরে অনেক কোম্পানিই বাজারে এসেছে। কিন্তু এই ১০ বছরে বাজারের গতি না বেড়ে বরং পিছিয়েছে।

প্রকৌশল ও ব্যাংক খাতে ১২ শতাংশ করে লেনদেন হয়। ৭৪ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়েছে প্রকৌশল খাতে। ওয়েস্টার্ণ মেরিনের দর ১০ পয়সা বেড়ে ৫ কোটি ২০ লাখ টাকার লেনদেন হয়। দর বৃদ্ধিতে ইয়াকিন পলিমার ৮ম অবস্থানে উঠে এসেছে। কোম্পানিটির ২ দশমিক ৭২ শতাংশ দর বেড়েছে।

ব্যাংক খাতে ৫৩ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকের ১ টাকা ৯০ পয়সা দর বেড়ে ১২ কোটি ২৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বৃদ্ধিতে প্রতিষ্ঠানটি ৪র্থ অবস্থানে ছিল। সিটি ব্যাংকের দর ২ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধিতে ৬ষ্ঠ অবস্থানে উঠে এসেছে।

১১ শতাংশ লেনদেন হয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাতে। ৮৪ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়েছে এ খাতে। স্কয়ার ফার্মার ৬ টাকা ৪০ পয়সা দরপতন হয়ে ৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা, বীকন ফার্মার ৫০ পয়সা দরপতন হয়ে ৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা লেনদেন হয়েছে।

বীমা খাতে লেনদেন হয়েছে ১০ শতাংশ। এ খাতের পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের ৮০ পয়সা দরপতন হয়ে ৪ কোটি ৭০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। এদিকে পৌনে ৩ শতাংশ বেড়ে প্রগতি ইন্স্যুরেন্স দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে।

৭১ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয় বস্ত্র খাতে। ম্যাকসন্স স্পিনিং দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে অবস্থান করছে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে একমাত্র ইউনাইটেড পাওয়ার ছাড়া বাকি সব কোম্পানি দরপতনে ছিল। ইউনাইটেড পাওয়ার ২ দশমিক ৭৯ শতাংশ দর বেড়ে বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে।

এছাড়া ১ টাকা ৫০ পয়সা দরপতনে থাকা খুলনা পাওয়ারের ১০ কোটি ৬০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। সিমেন্ট খাতের লাফার্জহোলসিমের প্রায় ১৪ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় ১ টাকা ৮০ পয়সা। এডিএন টেলিকমের ৩ টাকা ৯০ পয়সা দর বেড়ে দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। কোম্পানিটির ৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। এছাড়া স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের ২৮ টাকা ৯০ পয়সা দর বেড়ে ১২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা লেনদেন হয়।

 

এসবি/এমই