বিকাল ৩:০৭ শনিবার ১৮ জানুয়ারি, ২০২০


উত্তরে শীতের হিমেল হাওয়া

নিউজ ডেস্ক | সাহেব-বাজার২৪.কম
আপডেট : জানুয়ারি ১, ২০১৯ , ৬:৪০ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : জাতীয়,পরিবেশ
পোস্টটি শেয়ার করুন

সাহেব-বাজার ডেস্ক : পৌষের শীত গেল সপ্তাহে জেঁকে বসার চেষ্টা করছিল। ওই সময় দেশের উত্তরাঞ্চলে কাঁপন ধরানো শীত ছিল। আর রাজধানী ঢাকাসহ মধ্যাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যায় হিম হিম শীত। কিন্তু গতকাল সোমবার ঢাকায় শীতের পরশ যেন খানিকটা কমে আসে। রাজধানীতে নেই বলে কি শীত উধাও হয়ে গেছে? না, তেমনটি মোটেই হয়নি। শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে দেশের উত্তরাঞ্চলে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস থেকে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার সকালে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তীব্র শৈত্যপ্রবাহের কারণে দেশের সর্ব উত্তরের এই জেলায় তাপমাত্রা কমে গেছে। উত্তরাঞ্চলের রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, ময়মনসিংহ, যশোর জেলা এবং মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে রাজশাহীতে ১০, ঈশ্বরদীতে ৮ দশমিক ৮, বগুড়ায় ১১, নওগাঁর বদলগাছীতে ৯, রংপুরে ৯ দশমিক ৫, দিনাজপুরে ৮ দশমিক ৪, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও সৈয়দপুরে ৮ দশমিক ৮, কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ৭ দশমিক ৮, যশোরে ৯ দশমিক ২, চুয়াডাঙ্গায় ৮ দশমিক ৩, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ৮ দশমিক ৫ এবং সাতক্ষীরায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় এর মাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এভাবে শীত আরও কয়েক দিন পড়তে পারে।

২০১৮ সালের ৮ জানুয়ারি তেঁতুলিয়ায় ২ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে তাপমাত্রা নেমে এসেছিল। ৫০ বছরের মধ্যে এটিই ছিল দেশের সবচেয়ে কম তাপমাত্রার রেকর্ড। এবারও ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে জানুয়ারি মাসে শীতের ধরন একই রকম বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।

আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান বলেন, ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় উত্তরাঞ্চল থেকে মধ্যাঞ্চলের ঢাকা জেলা ও আশপাশে বেশ শীত পড়েছিল। গতকাল সোমবার তেঁতুলিয়ায় ৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল, যা এই শীত মৌসুমে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা। এখন উত্তরাঞ্চলে তীব্র থেকে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আরও দুদিন এই অবস্থা থাকতে পারে। তারপর হয়তো আরেক দফা শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। গতবারের মতো ফিফটি ফিফটি শীত পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবার।

এসবি/ এনএন