সন্ধ্যা ৭:৪২ রবিবার ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯


আট মাসে রামেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮৯৫ ডেঙ্গু রোগী

নিউজ ডেস্ক | সাহেব-বাজার২৪.কম
আপডেট : নভেম্বর ২৯, ২০১৯ , ৪:২৪ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : রাজশাহীর সংবাদ,শীর্ষ খবর,স্বাস্থ্য
পোস্টটি শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : এ বছর এপ্রিলে সারাদেশেই দেখা দেয় ডেঙ্গুর প্রকোপ। এরপর থেকে ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যাচ্ছেই। এই আট মাসে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ৮৯৫ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। অবশ্য ইদানিং ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কমে এসেছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান, ডেঙ্গু একটি ভাইরাস জ্বর। এডিস মশার কামড়ে এই ভাইরাস ছড়ায়। সাধারণত ভাইরাসে সংক্রমণের ৩ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে উপসর্গ দেখা যায়। সাধারণত বর্ষাকালে ডেঙ্গুর বিস্তার ঘটে। যেহেতু বর্ষাকাল শেষ হয়ে গেছে তাই এখন এডিস মশা তেমন দেখা যাবে না। ফলে কমছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা।

তবে শীতকালে কিউলেক্স মশা অনেক বেশি বেড়ে যায়। এই মশা থেকেও অনেক রোগ হতে পারে। তাই কিউলেক্স মশার কামড় থেকে রক্ষা পাবার জন্য বাড়ির চারপাশ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

এদিকে গত জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশের প্রায় প্রতিটি হাসপাতালেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি বেড়ে যায়। তবে রামেক হাসপাতালে যারা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন তাদের বেশির ভাগই দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আক্রান্ত হয়ে এসেছিলেন। রাজশাহীতেই আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা খুব কম। তারপরেও এই আক্রান্তদের সেবা দিতে রামেক হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্ণার খোলা হয়।

ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকটা কমে গেলেও এখনো দুই একজন আক্রান্ত হয়ে আসছেন বলে জানিয়েছেন রামেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক সাইফুল ফেরদৌস । তিনি বলেন, এখন ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেক কমে গেছে। রোগীর সংখ্যাও খুব কম। তবে শুক্রবার সকালে ভর্তি হয়েছেন দুইজন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন একজন। এখন ভর্তি আছেন তিন জন।

তিনি জানান, ডেঙ্গুতে রামেক হাসপাতালে এই পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১২ আগস্ট আব্দুল মালেক নামের এক ব্যাক্তির মৃত্যু ঘটে। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর শাপলা বেগম নামে একজনের মৃত্যু হয়। সর্বশেষ ১৪ সেপ্টেম্বর রওশন আরা নামের এক নারীর মৃত্যু হয়। বাকিরা সবাই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

এসবি/এসএসকে/জেআর